Wednesday 04 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

আমরা কোনো দলীয় সরকার কায়েম করতে চাই না: জামায়াত আমির

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:১৮ | আপডেট: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৪৩

কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

কুড়িগ্রাম: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী এই যুগে সবচেয়ে বড় দল। কিন্তু আমরা কোনো দলীয় সরকার কায়েম করতে চাই না। আমরা কোনো পরিবার ও গোষ্ঠীতন্ত্র কায়েম করতে চাই না। আমরা বাংলাদেশ ইসলামের বিজয়ও চাই না। আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় কুড়িগ্রাম কলেজ মাঠে ১১-দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, তিস্তার পার থেকে এই বিজয় শুরু হয়েছে। সারা বাংলায় এখন মুক্তির গণজোয়ার শুরু হয়েছে। এতে দেশের মেয়েরাই আমাদের শক্তি জুগিয়েছিল। আমরা মায়েদের কথা দিচ্ছি, আমাদের সবকিছুর বিনিময়ে আপনাদের চলাচলে শতভাগ নিরাপত্তা নিম্চিত করা হবে। মা-বোনদের সম্মান করা আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

বিজ্ঞাপন

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চার দিন আগে আমার এক্স আইডি হ্যাক করে যা-তা চালানো হয়েছে। আর একটি দল তাইরে নাইরে বলে ঝাঁপিয়া পড়ছে। লজ্জা, ওদের চুনুপুটিসহ বড় বড় নেতারাও গান গাওযা শুরু করল। আমাদের সাইবার টিম তাদের শক্তভাবে ধরে ফেলেছে। অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সত্য ঢাকা থাকে না।

তিনি আরও বলেন, রংপুর অঞ্চলের আবু সাইদ বলেছিল ভেতরে তুমুল ঝড় বুক পেতেছি গুলি কর। গুলি পিঠে নেয়নি তিন তিনটি গুলি বুকে নিয়েছিল। এটাই বীরত্বের পরিচয়। এখান থেকে জুলাই আন্দোলন জ্বলে উঠেছিল। আপনারা বড়ই সৌভাগ্যবান।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি আধিপত্যের বাদের বিরুদ্ধে আপসহীন যোদ্দা হিসেবে আবরার ফাহাদ প্রথমে শাহাদাতবরণ করেছিল। তার রাস্তা ধরে আবু সাইদের মৃত্যু। সেই রাস্তা ধরে তাদের সহযোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি হয়েছেন। একে একে তারা ১৪০০ জন শহীদ হয়েছে। এই ১৪০০ বীরের লাশ এখন এই জাতির ঘাড়ে। এই ১৪০০ জন বীরের রক্ত আমাদের নদীগুলো লাল করে দিয়েছে। আমরা এই বীরদের সঙ্গে বিশ্বাস ঘাতকতা করব না।

তিনি বলেন, আমাদের নদীগুলোকে কঙ্কার বানিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সব কটি চোর। নদী ভাঙনরোধের জন্য যতগুলো বাজেট হয়েছে, সব তাদের পেটে গিয়েছে। এই চোরেরা টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে ২৮ লাখ কোটি টাকা। আমরা যদি সুযোগ পাই, তাহলে ওদের বুকের হাত ঢুকিয়ে সব বের করে আনা হবে। ক্ষমতায় গেলে দেশের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জেলা কুড়িগ্রাম থেকে উন্নয়ন শুরু হবে।

এ সময় এনসিপির সদস্যসচিব আকতার হোসেন, জেলা জামায়াতের আমিরসহ ৪টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা জামায়াত ও ১১-দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিল।

সারাবাংলা/ইআ
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর