Thursday 05 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বিএনপি বেহেশত কিংবা দোজখ দেওয়ার রাজনীতি করে না: মুশফিকুর

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:১৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপি বেহেশত কিংবা দোজখ দেওয়ার রাজনীতি করে না। দলের লক্ষ্য একটাই—জনগণের মুখে হাসি ফোটানো।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের কর্ণেল বাজারে ধানের শীষের নির্বাচনি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মোগড়া ও মনিয়ন্দ ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ১৭ বছর ধরে আমরা ভোটের অধিকারের জন্য সংগ্রাম করে আসছি। এই সংগ্রামে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আজ জনগণের সামনে সুযোগ এসেছে ধানের শীষে ভোট দিয়ে সেই সংগ্রামের মূল্যায়ন করার।’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, এবারের বিএনপি একটি ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক দল, যারা প্রকৃত অর্থে জনগণের কথা বলে। অন্য দলগুলো হ্যাঁ-না ভোট কিংবা বেহেশত-দোজখের কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়ায়। তারা জানে ক্ষমতায় আসতে পারবে না বলেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তবে আগামী দিনের নেতা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন ও গতিশীল সরকার গঠনের যে কর্মসূচি রয়েছে, তা বাস্তবায়ন থেকে বিএনপিকে কেউই আটকাতে পারবে না।

সভায় তিনি বিএনপির কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতসহ দলের ৮টি অগ্রাধিকার কর্মসূচি তুলে ধরেন। পাশাপাশি কসবা-আখাউড়া অঞ্চলের বেকারত্ব, মাদক, দুর্নীতি ও রাস্তাঘাটের সমস্যার কথাও উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি ভুল করি, তাহলে বিএনপির অবস্থা আওয়ামী লীগের চেয়েও খারাপ হতে পারে।’

মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘বেহেশত বা দোজখ দেওয়ার মালিক আমি নই। এর মালিক একমাত্র আল্লাহ। বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণের জীবনমান উন্নয়নই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’

জেলা বিএনপির সদস্য খন্দকার মো. বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মনসুর মিশনের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, সহসভাপতি জহিরুল হক, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সাবেক সহসভাপতি নাসির উদ্দিন হাজারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন আব্দ এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক মির্জা মারুফ প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর