কক্সবাজার: সেন্টমার্টিন দ্বীপের জীব বৈচিত্র্যের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও অভিযোজন প্রকল্পের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী বিচ ক্লিনিং কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় সৈকত থেকে ২০০ বস্তায় প্রায় ২ হাজার ৫০০ কেজি বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দুইটায় শুরু হয়ে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে।
পরিবেশ অধিদফতর কক্সবাজারের পরিচালক জমির উদ্দিনের ভার্চুয়াল বক্তব্য এবং প্রকল্প পরিচালক কামরুল হাসানের পরিবেশ রক্ষার শপথ পাঠের মধ্য দিয়ে সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযানটির উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিতে দ্বীপের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যুবক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় পরিবেশ অধিদফতরের কক্সবাজারের পরিচালক জমির উদ্দিন বলেন, সরকার প্রতিবছর পর্যটন মৌসুম শেষে পরিবেশ অধিদফতরের ব্যবস্থাপনায় বিচ ক্লিনিং কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।
তার মতে, এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত চালু রাখার মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা এবং পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তোলাই মূল উদ্দেশ্য। দ্বীপবাসী ও পর্যটকদের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিবেশ সচেতনতা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
শপথ পাঠের আগে বক্তব্যে প্রকল্প পরিচালক কামরুল হাসান বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপকে প্লাস্টিক দূষণ থেকে রক্ষা করতে দেশের সচেতন সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একটি অনন্য ও গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা আমাদের সবার দায়িত্ব।
কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদফতর কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক আব্দুল লতিফ জনি, এছাড়া ইউডিপি ব্র্যাক সেন্টমার্টিন প্রকল্পের প্রকল্প কো-অর্ডিনেটর মংওয়ান লাইন, মোবিলাইজার মার্টিন কুমার বিশ্বাস, ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মুহাম্মদ রফিক, ডিপিএইচ সেন্টমার্টিন প্রকল্পের সুপারভাইজার জয়নুল আবেদিন এবং প্রাণ-আরএফএল এর অস্থায়ী ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর ওসমান গনি কর্মসূচিতে অংশ নেন।