টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনে মোট ৪৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হয়। অন্যথায় মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় জামানত হিসেবে জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত হয়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফল অনুযায়ী
টাঙ্গাইল ১- (মধপুর-ধনবাড়ী): এ আসনে ৪ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরা হলেন- জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হারুন অর রশীদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ও আসাদুল ইসলাম। তবে এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী প্রতীক পাওয়ার পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর- গোপালপুর): এ আসনে ২ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মনোয়ার হোসেন সাগর ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীর তালুকদার।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল): এ আসনে ২ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী রেজাউল করিম।
টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী): এ আসনে ৩ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরা হলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী লিয়াকত আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হালিম মিয়া ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আলী আমজাদ হোসেন।
টাঙ্গাইল- ৫ (সদর): এ আসনে ৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরা হলেন- বাংলাদেশ কংগ্রেসর প্রার্থী একেএম শফিকুল ইসলাম , ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খন্দকার জাকির হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের ফাতেমা আক্তার, জাতীয় পার্টির মোজাম্মেল হক, গণঅধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি-বিএসপি’র মো. হাসরত খান ভাসানী এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি’র সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা।
টাঙ্গাইল- ৬ (নাগরপুর- দেলদুয়ার) : এ আসনে ৫ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরা হলেন- জাতীয় পার্টি (জেপি) তারেক শামস, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মোঃ আখিনুর মিয়া, জাতীয় পার্টি মোহাম্মদ মামুনুর রহিম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ জুয়েল সরকার ও মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম।
টাঙ্গাইল- ৭ (মির্জাপুর) : এ আসনে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির তোফাজ্জল হোসেনের জমানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল সখীপুর) : এ আসনে ৩ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরা হলেন, বাংলাদেশের বিল্পবী ওয়ার্কার্স পার্টির আওয়ার মাহমুদ, আমজনতা দলের আলমগীর হোসেন, জাতীয় পার্টির নাজমুল হাসান।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা তাইজুল ইসলাম জালান, কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয় এবং সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়।