কক্সবাজার: কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নে চিংড়ি ঘেরের লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল হত্যা মামলায় গ্রেফতার পিতা–পুত্র আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। একইসঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলের পাশ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয় বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আশরাফ হোসেন জানান।
তিনি বলেন, ‘ঘটনার পরপরই গ্রেফতার সোলেমান বাদশা (২৮) ও তার পিতা শাহীনুর মিস্ত্রি ওরফে সাধনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।’
ঈদগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদার জানান, ‘মামলার সূত্র ধরেই চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ চলছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’
পুলিশ জানায়, নিহত মোস্তফা কামালের মা আম্বিয়া বেগম বাদী হয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি ঈদগাঁও থানায় ছয়জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের পশ্চিম ইছাখালী (ঘোনাপাড়া) এলাকায় মাছ ও কাঁকড়া ঘেরের লেনদেনসংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে মোস্তফা কামালকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
অভিযোগ উঠেছে, একই এলাকার শাহীনুর মিস্ত্রির ছেলে সোলেমান বাদশার নেতৃত্বে একদল হামলাকারী এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতার সহায়তায় পুলিশ পিতা–পুত্রকে আটক করে।