চুয়াডাঙ্গা: জেলায় মাঝারি তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি। ভ্যাপসা গরম ও ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি মিলছে না মানুষের।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ২৬ শতাংশ। একই দিন দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা ৩১ শতাংশ।
এর আগে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই দিন দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ও বুধবার (১ এপ্রিল) জেলাজুড়ে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রির আশপাশে অবস্থান করে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই তাপপ্রবাহ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রচণ্ড গরম অনুভূত হচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দফায় দফায় লোডশেডিং, যা ভোগান্তি আরও বাড়িয়েছে।
শহরের কোর্ট এলাকার এক স্টেশনারি ব্যবসায়ী মোমিন জানান, সকালে কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় দোকান খোলা রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। ক্রেতা কমে যাওয়ায় আয়ও কমে গেছে।
একই কথা জানান হাটকালুগঞ্জ এলাকার ইজিবাইক চালক খোকন। তিনি বলেন, ‘আগে সকাল থেকেই ভালো ভাড়া পাওয়া যেত। এখন গরমের কারণে রাস্তায় মানুষের চলাচল কমে গেছে। আয় কমে যাওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।’