কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফে এক বিধবার বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টাকালে স্থানীয় জনতার হাতে আটক হওয়ার পর এক ‘ডাকাত সদস্য’ গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন। পরে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শিলখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার পরে উত্তর শিলখালী এলাকার মৃত কলিম উল্লাহর বসতবাড়িতে অজ্ঞাতনামা আরও দুই সহযোগীসহ ঢুকে পড়ে একদল দুষ্কৃতকারী। তারা কলিম উল্লাহর স্ত্রী খুরশিদা আক্তারের (৪২) গলায় ছুরি ধরে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় খুরশিদা আক্তার চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে একজনকে ধরে ফেলে। তবে অন্যরা পালিয়ে যায়। আটক ব্যক্তি নুরুল আমিন (৩৫) স্থানীয়ভাবে ‘কালা বদা’ নামে পরিচিত। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা। জনতার হাতে ধরা পড়ার পর তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়। পরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইন চার্জ পুলিশ পরিদর্শক দুর্জয় বিশ্বাস বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত জনতার জিম্মিদশা থেকে নুরুল আমিনকে উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে নেয়। এ সময় তাকে চিকিৎসাও দেওয়া হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে একটি কাঠের হাতলযুক্ত লোহার ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে একাধিক অপহরণ মামলা রয়েছে। তিনি বাহারছড়া ও হ্নীলা এলাকার মধ্যবর্তী পাহাড়ে অবস্থান করে দীর্ঘদিন ধরে অপহরণ ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।’
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অফিসার ইন চার্জ) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি তার পালিয়ে যাওয়া সহযোগীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।’