ঝড়ের সঙ্গে লড়াই | ছবি
২৮ মে ২০২৪ ২১:৪৩ | আপডেট: ২৮ মে ২০২৪ ২৩:৩৮
খুলনার কয়রা। ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাস হলেই প্রবলভাবে আক্রান্ত হয় উপকূলীয় এই উপজেলাটি। বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। পানি ঢুকে প্লাবিত হয় গ্রামের পর গ্রাম। কিন্তু মেলে না স্থায়ী সমাধান। বছরের পর বছর প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করেই টিকে থাকতে হয়। প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালও স্থলভাগে ওঠার পর আঘাত করেছে কয়রাতে। তাতে আরও একবার বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে জনপদ। প্রবল আতঙ্ক নিয়ে বেড়িবাঁধের ভাঙন ঠেকাতে প্রাণান্ত চেষ্টা করতে হয়েছে এলাকাবাসীকে।
সোমবার (২৭ মে) কয়রায় ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব এবং এরপর গভীর স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে এলাকাবাসীর সংগ্রামের ছবি তুলেছেন সারাবাংলার সিনিয়র ফটো করেসপন্ডেন্ট হাবিবুর রহমান
- ঘূর্ণিঝড় এলেই কয়রার বাসিন্দাদের আতঙ্কে থাকতে হয়, কখন যেন বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা
- রোববার দিনভর প্রচণ্ড বাতাস আর ভারী বর্ষণের মুখে থাকতে হয়েছে কয়রাবাসীকে
- তীব্র জলোচ্ছ্বাস আর ঢেউয়ে উপকূলে ছড়িয়েছে তীব্র আতঙ্ক। তাদের আশঙ্কাও সত্যে পরিণত হয়েছে
- রেমালের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে কয়রার অন্তত তিনটি উপজেলায় বাঁধ ভেঙে গেছে
- বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে অন্তত ২০টি গ্রাম
- স্থানীয়রা জানালেন, রবারই এলাকাবাসীকেই বাঁধের ভাঙন ঠেকাতে মূল ভূমিকা রাখতে হয়
- রেমালের আঘাতে বাঁধের ভাঙন ঠেকাতেও তাই প্রাণান্ত চেষ্টা করেছেন কয়রাবাসী
- দুর্যোগ এলেই তাই এখানকার বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা নিয়ে সংশয়ের মুখোমুখি হতে হয়
- অনেককেই ঘরবাড়ির মায়া ছেড়ে ঠাঁই খুঁজতে হয় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে
কয়রা খুলনা খুলনার কয়রা ঘূর্ণিঝড় ঘূর্ণিঝড় রেমাল টপ নিউজ বেড়িবাঁধ রেমাল