Friday 06 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সাধ্যের মধ্যে সবজি মিললেও মশলার দামে অস্বস্তি ক্রেতাদের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:৫৯

ঢাকা: রাজধানী ঢাকায় এখনো পর্যাপ্ত জোগান দিয়ে চাহিদা মেটাচ্ছে শীতকালীন সবজি। ফলে বেশিরভাগ সবজি ৪০ টাকার ভেতরে অর্থাৎ সাধ্যের মধ্যে সবজি মেলায় স্বস্তি প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। আর মাছ, মাংস ও ডিমের দামে গত সপ্তাহের চেয়ে বাড়ে নি। তবে মশলার বাজারে দামে অস্বস্তি রয়েছে ক্রেতাদের।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজার, মিরপুর ও মোহাম্মদপুরসহ অন্যান্য বাজারগুলো থেকে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শিম মান ভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ২০ টাকা, টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৭০ টাকা। ফুলকপি বড় সাইজের প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা। শালগম কেজি প্রতি ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৪০ থেকে ৬০ টাকা, বেগুন ৩০ টাকা, কেজি, আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা, কেজি, ব্রকলি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, তবে বরবটির দাম আছে আগের মতোই ৬০ থেকে ৭০ টাকা। এছাড়া, লালশাক, পালংশাক, বাট্টু শাক প্রতি আঁটি ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে এবং লাউ শাক ৪০ ও পুঁইশাক ৩০ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

এবিষয়ে মিরপুরের খুচরা সবজি বিক্রেতা আলামিন শারাবাঙ্গলকে বলেন, শীতের সবজি সহনীয় দামেই বিক্রি হচ্ছে। শীতের সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় দামও বেশ সহনীয়। শসার দাম একটু বাড়তি। রোজার আগে শসার দাম কমার সুযোগ কম।

এদিকে, প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকার মধ্যে। যদিও জানুয়ারির শুরুতে তা বিক্রি হয়েছে ১৬৫ থেকে ১৭৫ টাকায়। প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বাজারভেদে ১১০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। আর গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা করে।

তবে মাছের দামে মিলছে না ক্রেতাদের স্বস্তি। প্রতি কেজি পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৬০ টাকা, বাইন ৬০০ টাকা, শিং ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং টাকি ৩০০ টাকা এবং আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।

অন্যদিকে, রমজান মাসকে কেন্দ্র করে বেড়েছে মশলার দাম। কয়েকদিনের ব্যবধানে ৩২০০ টাকার এলাচ এখন ৫৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৪০০ টাকার আলু বোখারা ৮০০ টাকা এবং ৫০০ টাকার কিশমিশ ৯০০ টাকা ছাড়িয়েছে। কাঠবাদাম ও অন্যান্য মশলার দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। এছাড়া, মানভেদে প্রতিকেজি আদা ও রসুন ১৪০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং মানভেদে পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫৫ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।

এবিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি বাজারে পণ্যের দাম বাড়লে খুচরা বাজারেও বেড়ে যায়। দাম বাড়ার বা কমার সঙ্গে তাদের হাত নাই। বেশি দাম দিয়ে তারা পণ্য কিনছেন, কিন্তু সীমিত লাভ রেখেই তারা ক্রেতাদের নিকট সুলভ মূল্যে বিক্রি করছেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর