Thursday 19 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

নির্বাচনের ডামাডোলে অবৈধ বিলবোর্ড, উচ্ছেদে মেয়র

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:০৬

সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: নির্বাচনি ডামাডোলের ফাঁকে হঠাৎ করে চট্টগ্রাম নগরী ছেয়ে যাওয়া অবৈধ বিলবোর্ড অপসারণ নেমেছে সিটি করপোরেশন। সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নগরীতে সিটি করপোরেশনের অনুমোদিত ছাড়া আর কোনো ধরনের বিলবোর্ড রাখা হবে না।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর কাজির দেউড়ির মোড়ে বিলবোর্ড উচ্ছেদ অভিযানে সাংবাদিকদের মেয়র এ কথা বলেন।

চসিকের ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগের টিম কাজির দেউড়ির মোড়ে অভিযান চালিয়ে অবৈধ বিলবোর্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করে। এর একপর্যায়ে সেই কার্যক্রম পরিদর্শনে যান মেয়র।

এ সময় সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘কোনো ধরনের বিলবোর্ড শহরে থাকবে না। নির্বাচনকালীন কেউ আমাদের সঙ্গে কথা না বলে করে ফেলেছে। আমরা এখন এগুলো দেখতে পাচ্ছি।’

বিজ্ঞাপন

অবৈধ বিলবোর্ড স্থাপনকারীদের শনাক্ত করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এগুলো কারা করেছে, তাদের আমরা সন্ধান করছি। যেহেতু এখনো শনাক্ত করতে পারিনি আমরা নিজেরাই কেটে ফেলছি।’

মেয়র বলেন, ‘ঢাকাসহ অন্যান্য শহরে যেভাবে আছে ডিজিটাল সাইনবোর্ড ও এলইডি, এগুলো আমরা অনুমোদন দেব। এ ধরনের বড় বিলবোর্ড যেগুলো সৌন্দর্য্যহানি করছে, এ রকম কোনো কিছু আমরা শহরে অ্যালাউ করব না। যেখানে যেখানে করা হয়েছে প্রতিটি জায়গা থেকে উচ্ছেদ করা হবে।’

কোনো শক্তির কাছে মাথা নত না করার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘বিলবোর্ড উচ্ছেদে কোনো ধরনের রাজনীতি, কোনো পলিটিক্যাল মাসলম্যান বা পাওয়ারম্যান এখানে কোনো কিছু করতে পারবে না। আপনারা দেখেছেন, কোনো জায়গায় আমি কম্প্রোমাইজ করিনি। এখানে কোনো চাপ নেই। আমাদের যদি সদিচ্ছা না থাকত, আমরা উচ্ছেদ করতাম না।’

বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া বিলবোর্ড উচ্ছেদ অভিযান পুরো নগরীতে ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন চসিকের কর্মকর্তারা।

অভিযানে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোয়েব উদ্দিন খান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ, উম্মে কুলসুম, শাহরীন ফেরদৌসী, রক্তিম চৌধুরী, প্রণয় চাকমা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয় ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর