Tuesday 31 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

চট্টগ্রামে ৭ শিশুর হাম শনাক্ত, রুবেলায় আক্রান্ত ১ জন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৩১ মার্চ ২০২৬ ০৮:৪৭ | আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৮:৪৮

হাম-রুবেলায় আক্রান্ত শিশৃুরা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ায়, বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৭৫ জন শিশুর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৮ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকা থেকে ৩৫টি এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৪০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে নগরে ছয়জন এবং জেলায় দুজন শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি নগরের একজন শিশুর শরীরে রুবেলাও পাওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে জেলার তিনটি হাসপাতালে হামের লক্ষণ নিয়ে ২৮ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। এছাড়া নমুনা সংগ্রহ করা বাকি ১২ শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে সবচেয়ে বেশি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে হাসপাতালটির শিশুস্বাস্থ্য বিভাগে ১৮ জন শিশু ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে একজনের শরীরে আগেই হাম শনাক্ত হয়েছিল। বাকি ১৭ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রামে প্রথম হাম শনাক্ত হয় বোয়ালখালী উপজেলার কধুরখীল ইউনিয়নের পাঁচ মাস ১৫ দিন বয়সী শিশু আলী বিন সেলিমের শরীরে। ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে তার সংক্রমণ নিশ্চিত হয়। প্রথমে অন্য রোগের চিকিৎসার জন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও পরে তাকে চমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালে পাঁচ মাস বয়সী আরেক শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। তার বাড়ি হাটহাজারী উপজেলায়। একই হাসপাতালে আরও নয়জন শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালেও একজন শিশু ভর্তি আছে।

জেলা সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মোট ৭৫ জন শিশুর নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ২৯ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে

চমেক হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ মুছা মিঞা জানান, ভর্তি হওয়া অধিকাংশ শিশুর বয়স ১৫ মাসের কম। তাদের মধ্যে জ্বর, শরীরে র‍্যাশ এবং অনেক ক্ষেত্রে নিউমোনিয়ার উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। হামের লক্ষণ থাকা শিশুদের আলাদা কর্নারে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সারাবাংলা/এসএন/এএ
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর