চট্টগ্রাম: বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের বাসিন্দা এস. এম. তারেকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে জানাজা শেষে নগরীর হালিশহরের ঈদগাহ বউবাজার এলাকার কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তার মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছায়। এরপর রাত আড়াইটার দিকে মরদেহ নগরের হালিশহর ঈদগাহ বউবাজার এলাকার ভাড়া বাসায় নেওয়া হয়। এ সময় স্ত্রী রোকেয়া বেগম ও একমাত্র মেয়ে তাসনিম তামান্না কান্নায় ভেঙে পড়েন।
এদিকে, তারেককে একনজর দেখতে তার ভাড়া বাসায় আত্নীয়স্বজন ও প্রতিবেশিরা ভিড় জমান। তা ছাড়া, তারেকের এমন মৃত্যু মানতে পারছেন না এলাকাবাসীও।
জানাজায় উপস্থিত হয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান তূর্য সমবেতদের উদ্দেশে বলেন, ‘মরহুম এস. এম. তারেক প্রবাসী ছিলেন এবং কষ্ট করে তার পরিবার ও বৃহত্তর পরিবারকে সংস্থান করতেন। আমরা শুধু দোয়া করতে পারি, তার যেন বেহশত নসিব হয়। কষ্ট হয়েছে, এই পরিবারকে ৩০টা দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমাদের সরকার মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে।’
জানাজায় অংশ নেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরের আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং দলটির আরেক নেতা শামসুজ্জামান হেলালী।
উল্লেখ্য, গত ১ মার্চ দিবাগত রাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন তারেক। মরদেহ দাফনের জন্য প্রাথমিকভাবে ৩৫ হাজার ও পরিবারের জন্য ৫০ হাজার টাকা দিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়। সরকারের তরফ থেকে আরও ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে বলেও জানা গেছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য তারেকের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। একইসঙ্গে তারেকের মেয়ের পড়ালেখার দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি।