কক্সবাজার: জেলার টেকনাফে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে দুই লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) হোয়াইক্যং বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার উত্তরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মনিরঘোনা এলাকায় অবস্থান নেয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি মোটরসাইকেলকে ইয়াবা বহন করার সন্দেহে টহল দল তল্লাশি করতে চাইলে চোরাকারবারিরা যান দুইটি ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে রিকশার ভেতরে প্লাস্টিকের বস্তায় স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো খাকি রঙের বায়ুরোধী প্যাকেটে রাখা দুই লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
বিজিবি আরও জানায়, পলাতক ব্যক্তিদের ধরতে ওই এলাকায় চিরুনি অভিযান চালানো হলেও রাতের অন্ধকারে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
কক্সবাজার: জেলার টেকনাফে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে দুই লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) হোয়াইক্যং বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার উত্তরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মনিরঘোনা এলাকায় অবস্থান নেয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি মোটরসাইকেলকে ইয়াবা বহন করার সন্দেহে টহল দল তল্লাশি করতে চাইলে চোরাকারবারিরা যান দুইটি ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে রিকশার ভেতরে প্লাস্টিকের বস্তায় স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো খাকি রঙের বায়ুরোধী প্যাকেটে রাখা দুই লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
বিজিবি আরও জানায়, পলাতক ব্যক্তিদের ধরতে ওই এলাকায় চিরুনি অভিযান চালানো হলেও রাতের অন্ধকারে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’