Sunday 25 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ইবিতে দু’ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পর নিয়োগ বোর্ড স্থগিত, প্রার্থীদের অসন্তোষ


২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ০০:১৬

ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ফটক। ছবি: সারাবাংলা

ইবি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের নিয়োগ বোর্ড অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১০টা থেকে বোর্ড অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষার্থীরা হলে দু’ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর প্রশাসন নিয়োগ স্থগিত করার প্রজ্ঞাপন দেয়। এতে দূরদূরান্ত থেকে আসা পরীক্ষার্থীরা চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগে শিক্ষক সংকট দীর্ঘদিনের। মাত্র ৩ জন শিক্ষক দিয়ে চলছে বিভাগটির শিক্ষা কার্যক্রম। এর প্রেক্ষিতে বিভাগটিতে তিন পদে নতুন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এর মাঝে সহকারী অধ্যাপক পদে ২টি ও প্রভাষক পদে ১টি। আজ রোববার নিয়োগ পরীক্ষার বোর্ড হওয়ার কথা থাকলেও বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও বিভাগীয় সভাপতি অনুপস্থিত থাকায় নিয়োগ বোর্ড বন্ধ হয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, বিভাগটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও বিএনপিপন্থী শিক্ষক সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) ইবি শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান। তবে বিভাগটির নিয়োগ পরীক্ষার নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হলেও তিনি বোর্ডে উপস্থিত হননি। এছাড়া তিনি কেন অনুপস্থিত ছিলেন এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, নিয়োগের অধিকতর স্বচ্ছতার জন্য আমরা জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে সকল নিয়োগ বন্ধ রাখার জন্য বলেছি। আমাদের সংগঠনের সিদ্ধান্তেই আজকের নিয়োগ বোর্ডে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত হননি।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, আমাদের বোর্ডের বাকি ৩জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। প্রার্থীরাও নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত ছিল। গতকাল পর্যন্ত বিভাগের সভাপতি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন তিনি উপস্থিত থাকবেন। তবে আজ কেন তিনি এলেন না এটি আমার জানা নেই। তার অনুপস্থিতির কারণেই আজকের বোর্ডটি স্থগিত করা হয়েছে। শিগগিরই এই বোর্ডটি পুনরায় অনুষ্ঠিত হবে।

এসময় প্রার্থীদের ভোগান্তি এবং যাতায়াত খরচের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি মিটিংয়ের পর জানানো হবে। তবে বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য তিনিও দুঃখ প্রকাশ করেন।

এর আগে, গত ১৪ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউট্যাব আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির আগে সকল ধরনের নিয়োগ বন্ধের দাবি জানিয়ে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেন। এছাড়া গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রেজিস্ট্রার বরাবর জাতীয় নির্বাচনের আগে সকল নিয়োগ স্থগিতের দাবি জানান।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর