Tuesday 27 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ডুজা সদস্যদের নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ সমাপ্ত

ঢাবি করেস্পন্ডেন্ট
২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০০:০৭

ডুজা সদস্যদের নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ সমাপ্ত। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাংবাদিকদের জন্য দু’দিনব্যাপী নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতাবিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছিল প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) পিআইবির উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ডুজা) সদস্যসহ ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।

মঙ্গলবার বিকেলে প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন আমার দেশের ডেপুটি এডিটর সুলতান মাহমুদ।

এ ছাড়া, পিআইবি প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন, সিদ্দিক ফারুক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন মুহাজির মাহি, সাধারণ সম্পাদক মাহাদি হাসানসহ ডুজার নেতা ও অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যে পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেন, ‘নির্বাচন শুধু ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নয়, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। ইতিহাসে দেখা গেছে, নির্বাচনের ফলাফল অস্বীকার করার কারণে দেশ বিভাজন ও দীর্ঘস্থায়ী সংকট সৃষ্টি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যা হয় দেশকে মুক্তির পথে এগিয়ে নেবে, নয়তো নতুন বিপদের দিকে ঠেলে দিতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জুলাইয়ের অভ্যুত্থানকে কোনো এককালীন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। একটি অভ্যুত্থান বা গণআন্দোলন দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিকশিত হয় এবং বিভিন্ন সময়ে তাকে দুর্বল বা ভিলেন বানানোর চেষ্টা চলে। এ ক্ষেত্রে অপতথ্য, বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক কৌশল ব্যবহৃত হয়। সাংবাদিকদের দায়িত্ব হলো এসব প্রক্রিয়া গভীরভাবে অনুধাবন করে দায়িত্বশীল ও সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা।’

ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের ভূমিকার বিষয়ে ফারুক ওয়াসিফ বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি ঐতিহাসিকভাবে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সূতিকাগার। ফলে এখানকার সাংবাদিকদের দায়িত্ব আরও বেশি। নির্বাচনের সময় প্রার্থীদের কাছে জনগণের মৌলিক দাবি, সংস্কার, বিচার ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানতে চাওয়ার মধ্য দিয়ে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘সাংবাদিকরা যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতা বা প্রচারমূলক সংবাদে সীমাবদ্ধ না থাকেন। বরং প্রার্থীদের অর্থের উৎস, রাজনৈতিক অবস্থান এবং জুলাইয়ের গণআন্দোলনের দাবির প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি জনসমক্ষে তুলে ধরতে হবে। এতে ভোটাররা সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।’

দু’দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতার নীতি, অপতথ্য মোকাবিলা, ভোটকেন্দ্র রিপোর্টিং, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং নৈতিক দায়িত্বসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর