ঢাকা: পুঁজিবাজারে এসএমই প্ল্যাটফর্মে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের কারখানা, প্রধান কার্যালয়, হিসাব বই, রেকর্ড ও অন্যান্য নথিপত্র খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। মূলধন ও বিনিয়োগকারীর স্বার্থ রক্ষায় এ পদক্ষেপকে জরুরি মনে করছে কমিশন।
এ লক্ষ্যে বেশ কিছু শর্তসাপেক্ষে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। সম্প্রতি কমিশনের মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। বিষয়টি কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককেও অবহিত করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন—বিএসইসির উপ-পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক এ কে এম ফারুক আলম এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ম্যানেজার মো. শহিদুল ইসলাম প্রামাণিক।
তদন্ত কমিটি যে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখবে
১. কোয়ালিফায়েড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ প্রসপেক্টাসে উল্লিখিত শর্ত ও বিএসইসির অনুমোদন অনুযায়ী ব্যয় হয়েছে কি না।
২. সংশ্লিষ্ট লেনদেনের পক্ষগুলো কারা, নগদ প্রবাহ কেমন ছিল এবং বিনিয়োগের সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে কি না।
৩. আন্তর্জাতিক হিসাবমান (আইএএস-২৪) অনুযায়ী কোনো সম্পর্কিত পক্ষের লেনদেন (রিলেটেড পার্টি ট্রানজেকশন) হয়েছে কি না।
৪. কিউআইও থেকে সংগৃহীত অর্থের ব্যবহার পরবর্তী আর্থিক বিবরণীতে প্রতিফলিত হয়েছে কি না।
৫. ছোটখাটো নগদ খরচ ছাড়া সব লেনদেন ব্যাংক ট্রান্সফার বা ক্রসড চেকের মাধ্যমে হয়েছে কি না।
৬. ব্যাংক হিসাবে থাকা লেনদেন ও অব্যবহৃত অর্থের হিসাব যাচাই।
৭. অর্থ ব্যবহারের উদ্দেশ্য বা সময়সীমা পরিবর্তন হয়ে থাকলে তা শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কি না।
৮. পাশাপাশি অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ও যাচাই করবে কমিটি।