মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ইরানে থাকা মার্কিন নাগরিকদের সতর্কবার্তা দিয়েছে। বার্তায় বলা হয়েছে, ইরানে এখন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে রাস্তা ও গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়া এবং ইন্টারনেট ব্যবস্থা সীমিত করে দেওয়া’সহ নানা সমস্যা রয়েছে।
শুক্রবারে (৬ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের ভার্চুয়াল দূতাবাসের ওয়েবসাইটে এই সতর্কবার্তা প্রকাশ করা হয়। এতে নাগরিকদেরকে মার্কিন সরকারের ওপর নির্ভর না করে নিজ উদ্যোগে ইরান ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।
যারা এখনই বের হতে পারছেন না, তাদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বা অন্য কোনো সুরক্ষিত ভবনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত খাবার, পানি ও ওষুধের ব্যবস্থা করে রাখতে বলা হয়েছে। এ ছাড়াও, স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে সর্বশেষ আপডেট জেনে রাখার বিষয়েও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এই সতর্কবার্তা এমন সময়ে প্রকাশ করা হলো, যখন উভয় দেশ ওমানে কূটনীতিক আলোচনায় বসেছে।
পাশাপাশি, উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সেনা মোতায়েন করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বাহিনীকে ‘বিশাল নৌবাহিনী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
এদিকে, আঞ্চলিক শক্তিগুলো সম্ভাব্য ইরান-আমেরিকা সংঘাতকে রোধ করার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।
হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে কূটনীতিক সমাধানই ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ, এবং তিনি উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় সমাধান খোঁজার চেষ্টা করবেন। তবে একই সঙ্গে তার কাছে সামরিক বিকল্পও রয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, আলোচনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সামর্থ্য এবং অন্যান্য বিষয়ও তোলা হবে। কিন্তু তেহরান চেয়েছে আলোচনাটি শুধু বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সীমাবদ্ধ থাকুক।
এ বিষয়ে সমাধান হয়েছে কি হয়নি, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লিভিট এ বিষেয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট সর্বদা কূটনীতিক সমাধানকে প্রথম পছন্দ হিসেবে দেখেন, তা সেটা আমাদের বন্ধু দেশ হোক বা প্রতিপক্ষ হোক।’