ইরানের তেল রফতানি কমিয়ে আনতে এবং দেশটির ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও তীব্র করতে একমত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রয়টার্সের প্রতিবেদনে তিনি এসব কথা বলা হয়।
এর আগে, বুধবার হোয়াইট হাউজে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’।
এক ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘‘আমরা ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের ক্ষেত্রে পূর্ণ শক্তি নিয়ে কাজ করতে একমত হয়েছি। বিশেষ করে চীনের কাছে ইরানের তেল বিক্রির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।”
এদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় বিভিন্ন দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সহযোগিতা যুক্তিযুক্ত ও বৈধ। এই সহযোগিতাকে সম্মান ও সুরক্ষা দেওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, ইরানের মোট তেল রফতনির ৮০ শতাংশেরও বেশি যায় চীনে। ফলে এই বাণিজ্যে কোনো ধরনের কাটছাঁট করা হলে ইরানের তেল বাবদ আয় ব্যাপকভাবে কমে যাবে।
এই কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপের খবর এমন এক সময়ে এলো যখন ওমানের মধ্যস্থতায় গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কূটনীতিকরা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবে কূটনীতির সমান্তরালে ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক শক্তিও প্রদর্শন করছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যেই মার্কিন নৌবহর মোতায়েন করা হয়েছে এবং মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে সপ্তাহব্যাপী সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদী অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে।