যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম ৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। পাম্পে বিক্রি হওয়া জ্বালানি তেলের গড় প্রতি গ্যালন দাম বর্তমানে ৪ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪৯৩), যা ২০২২ সালের পর সবচেয়ে বেশি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই মেয়াদের যেকোনো সময়ের চেয়েও এ দাম বেশি।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম ৪ ডলার ছাড়িয়েছে। গত মাসেও দেশটিতে এক গ্যালন গ্যাস ছিল ২ দশমিক ৯৮ ডলার। এতে দেখা যাচ্ছে, মাত্র ৩০ দিনের ব্যবধানে দাম ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। সিএনএন বলেছে, এর আগেও জ্বালানি নিয়ে যখন সংকট দেখা দিয়েছিল, তখনো এক মাসের মধ্যে গ্যাসের দাম এত পরিমাণ বাড়েনি।
এদিকে গ্যাসের পাশাপাশি অপরিশোধিত তেলের দামও উর্ধ্বমুখী। ইরানে হামলার পর গতকাল সোমবার যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বাড়তে পারে তখন যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের দামও বেড়ে যায়। গতকাল দেশটিতে ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো এক ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়ায়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ববাজারে কাঁচা তেলের দাম বৃদ্ধি ও দেশটির অভ্যন্তরীণ সরবরাহ-চাহিদার কারণে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ বন্ধ করে দেয় ইরান। যেখান দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ হয়। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় জ্বালানির দাম দিন দিন বেড়েই চলছে।