Monday 09 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:৫৮ | আপডেট: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:১১

বিচারপতি নাইমা হায়দার।

ঢাকা: সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বিচারপতি নাইমা হায়দার গত ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ সইযুক্ত পত্রের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতির কাছে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরে প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে তার পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় অনিয়ম ও ফ্যাসিবাদের সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রাখার অভিযোগে বিচারপতি নাইমা হায়দারসহ হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। তার বিষয়ে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত চলছিল। এ অবস্থায় তিনি পদত্যাগ করলেন।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে অপসারণ করেন।

২০২৪ সালের আগস্টে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে ৯ জন বিচারপতি বর্তমানে আর দায়িত্বে নেই। কারও বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে বাধ্যতামূলক অবসর, কেউ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন এবং কেউ অবসরে গেছেন। বাকি তিনজন বিচারপতি পদে থাকলেও তারা বিচারিক কার্যক্রমে যুক্ত নন।

এ ছাড়া সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ দাখিল হওয়ায় চলতি মাসে বিচারপতি এম আর হাসানকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। ছুটিতে পাঠানো ১৩ জন বিচারপতির বাইরে আরও দুইজন বিচারপতি স্বেচ্ছায় কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তাদের একজন বিচারপতি মামনুন রহমান যিনি এরইমধ্যে পদত্যাগ করেছেন।

বিচারপতি নাইমা হায়দার সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর মেয়ে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সাউদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয় ও লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৮৯ সালে জেলা আদালতে আইন পেশায় যোগ দেন তিনি। ১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে এবং ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৯ সালের ৬ জুন তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং ২০১১ সালের ৬ জুন স্থায়ী বিচারপতি হন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর