Wednesday 18 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সাবেক সেনাপ্রধানকে আজ জেরা করবেন জিয়াউলের আইনজীবীরা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৪০ | আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৫২

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া ও সাবেক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভুঁইয়াকে আজ জেরা করবেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের আইনজীবীরা।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ জেরা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এ মামলায় একমাত্র আসামি জিয়াউল আহসানের পক্ষে শুনানিতে অংশ নিচ্ছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী, নাজনীন নাহার ও আইনজীবী নিজাম। তাদের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভুঁইয়াকে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয় এবং পরে আজকের দিনটি জেরার জন্য নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

বিজ্ঞাপন

গত ৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া জবানবন্দিতে ইকবাল করিম ভুঁইয়া জিয়াউল আহসানের কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান, সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তা র‌্যাবে গিয়ে পেশাদার খুনির মতো আচরণ করে ফিরে আসতেন। একই সঙ্গে সেনাবাহিনী ও র‌্যাবের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দেন তিনি। এছাড়া ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-সংক্রান্ত কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্যও উপস্থাপন করেন সাবেক এই সেনাপ্রধান।

এদিকে আজ সকালে কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করবে পুলিশ। তার উপস্থিতিতেই জেরার কার্যক্রম চলবে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি জিয়াউলের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।

প্রথম অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইল এলাকায় সড়কের পাশে জিয়াউলের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ আরও তিনজনকে হত্যা করা হয়। দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খালসংলগ্ন বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যা করা হয়। তৃতীয় অভিযোগেও আরও ৫০ জনকে হত্যার দায় আনা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর