ঢাকা: গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়ম সংক্রান্ত ‘নির্বাচনি আবেদনপত্র’ শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
এ ট্রাইব্যুনালের দায়িত্বে রয়েছেন বিচারপতি মো. জাকির হোসেন। তার নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদন শুনবেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় দেখা যায়, অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের পাশাপাশি এ বেঞ্চে ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (২০০১ সালের সংশোধনীসহ) অনুযায়ী দায়ের করা নির্বাচনি আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করা হবে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রুল ও স্থানান্তরিত মামলাগুলোরও নিষ্পত্তি করা হবে।
আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশের ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনি অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টের নির্বাচননি ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয়। পরদিন শুক্রবার ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফল ঘোষণা করা হয়। এরপর নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।
শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ গেজেট জারি করেন। এতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, মাতার নাম ও ঠিকানা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন তাদের শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
তবে উচ্চ আদালতের নির্দেশনার কারণে দুটি আসনের ফলের গেজেট এখনো প্রকাশ করা হয়নি।