Wednesday 11 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা যা করতে পারবেন, যা পারবেন না

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:২৩ | আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:২৪

‎ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি সেই কাঙ্ক্ষিত দিন। এবারের নির্বাচনে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন।

ভোটকেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভোটারদের মূল্যবান ভোটটি সঠিকভাবে প্রদান করতে নির্বাচন কমিশনের কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। নিচে তা তুলে ধরা হলো:

‎ভোটের সময় ও যাতায়াত

‎সময়: ভোটগ্রহণ চলবে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। তবে কেউ যদি বিকেল সাড়ে ৪টার আগে লাইনে দাঁড়ান, সময় শেষ হলেও তিনি ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

বিজ্ঞাপন

‎ব্যাগ: পার্স বাদে অন্য কোনো ধরনের বড় ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না।

‎‎মোবাইল ফোন: মোবাইল ফোন সাথে নেওয়া যাবে এবং ছবিও তোলা যাবে। তবে গোপন কক্ষে (যেখানে সিল মারা হয়) মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

পোশাক ও পরিচয় নিশ্চিতকরণ

‎পোশাক: যেকোনো মার্জিত পোশাক পরে ভোট দিতে যাওয়া যাবে। তবে নিরাপত্তার প্রয়োজনে পোলিং এজেন্টের অনুরোধে নেকাব পরিহিতাদের একবার মুখ খুলে পরিচয় নিশ্চিত করতে হতে পারে।

এনআইডি কার্ড বাধ্যতামূলক নয়:

‎এনআইডি (NID): ভোট দিতে এনআইডি কার্ড সাথে রাখা বাধ্যতামূলক নয়। তবে কার্ড সাথে থাকলে ভোটার তালিকায় নাম ও ক্রমিক নম্বর দ্রুত খুঁজে পাওয়া সহজ হবে।

‎সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা

‎অস্ত্র ও দাহ্য পদার্থ: কোনো ধরনের অস্ত্র, দাহ্য পদার্থ বা বিপজ্জনক বস্তু নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ।

‎দ্রুত প্রস্থান: ভোট দেওয়া শেষ হলে কেন্দ্র এলাকায় জটলা না পাকিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে হবে।

‎ভোট দেওয়ার সঠিক নিয়ম (ধাপে ধাপে)

‎১. শনাক্তকরণ ও কালি: প্রথমে পোলিং অফিসার আপনার নাম ও ক্রমিক নম্বর মিলিয়ে আঙুলে অমোচনীয় কালির দাগ দেবেন।

‎২. ব্যালট সংগ্রহ: এরপর আপনাকে দুটি ব্যালট পেপার দেওয়া হবে (একটি সংসদ নির্বাচনের, অন্যটি গণভোটের)। ব্যালট নেওয়ার সময় পেছনের দিকে অফিশিয়াল সিল ও প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর আছে কি না তা যাচাই করে নিন।

‎৩. গোপন কক্ষ: ব্যালট নিয়ে নির্ধারিত গোপন কক্ষে যেতে হবে। সংসদ নির্বাচনের ব্যালটে পছন্দের প্রতীকে এবং গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ বক্সে রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে সিল দিন।

‎৪. ব্যালট ভাঁজ: সিলের কালি যেন অন্য প্রতীকে না লাগে, সেজন্য ব্যালট পেপারটি লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করুন। এরপর স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলুন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর