ঢাকা: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়কল্পে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন এবং সপ্তাহে তিন দিন সশরীরে ও দুই দিন ভার্চুয়ালি অফিস পরিচালনা সংক্রান্ত একটি তথ্য সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই তথ্যের কোনো সত্যতা নেই এবং এ সংক্রান্ত ছড়িয়ে পড়া চিঠিটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বিভ্রান্তি নিরসনে সরকারি অবস্থান পরিষ্কার করা হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাদের বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের অজুহাতে সরকারি অফিসের কার্যদিবস কমানো বা রিমোট অফিসের সুযোগ প্রদানের দাবি করে গত ১ এপ্রিল একটি স্মারকপত্র ইন্টারনেটে ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ভুয়া পত্রে দাবি করা হয়েছিল যে, এখন থেকে সরকারি কর্মকর্তারা সপ্তাহে মাত্র তিন দিন অফিসে উপস্থিত থাকবেন। মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে জানাচ্ছে যে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ ধরনের কোনো পত্র বা নির্দেশনা কখনো জারি করা হয়নি।
জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই কোনো অসাধু চক্র এই ভুয়া চিঠিটি প্রচার করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে যে, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসমূহ সর্বদাই সরকারি গেজেট বা স্বীকৃত গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসীকে জানানো হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো অপ্রমাণিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাধারণ জনগণের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে এ ধরনের গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
বর্তমানে সরকারি অফিসের স্বাভাবিক সময়সূচি এবং নিয়মাবলি পূর্বের ন্যায় অপরিবর্তিত রয়েছে এবং যেকোনো দাফতরিক পরিবর্তনের সংবাদ শুধুমাত্র নির্ভরযোগ্য সরকারি উৎস থেকে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।