Sunday 12 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বগুড়া ও শেরপুর নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোট পড়েছে মাত্র ৪টি

‎সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১২ এপ্রিল ২০২৬ ২২:২১

পোস্টাল ব্যালট। ফাইল ছবি

ঢাকা: গত ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণে চরম স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। দুই আসনে মোট ১ হাজার ৬৬৪ জন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধিত থাকলেও মাত্র চারজনের ভোট শেষ পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছেছে।

‎রোববার (১২ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ‘আউট অব কান্ট্রি ভোটিং’ (ওসিভি) সিস্টেম বাস্তবায়ন প্রকল্পের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সেলিম আহমদ খান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

‎তিনি জানান, বগুড়া-৬ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা তিনটি ব্যালট পেয়েছেন এবং শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হাতে পেয়েছেন মাত্র একটি ব্যালট।

‎ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, ভোটগ্রহণের আগের দিন অর্থাৎ ৮ এপ্রিল দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই দুই আসনে মোট ২৮ জন প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান সম্পন্ন করলেও ভোটের দিন ভোটগ্রহণের শেষ সময় পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছেছে মাত্র চারটি ব্যালট।

‎ইসির তথ্য অনুযায়ী, বগুড়া-৬ আসনে ১ হাজার ২৮১ জন প্রবাসীর কাছে ব্যালট পাঠানো হলেও ভোট দিয়েছেন ২৩ জন এবং চূড়ান্তভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তার হাতে পৌঁছেছে মাত্র তিনটি ব্যালট। আর দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধিত ২ হাজার ৪৫৫ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৬৫ জন ভোটারের ভোট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে এসেছে।

‎অন্যদিকে শেরপুর-৩ আসনে ৩৮৩ জন প্রবাসীর মধ্যে পাঁচজন ভোট দিলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের হাতে পৌঁছেছে মাত্র একটি ব্যালট। বিপরীতে দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য ৩ হাজার ১৯০টি ব্যালট ইস্যু করা হয়েছিল এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা সময়মতো ২ হাজার ১৮টি ব্যালট গ্রহণ করেছেন।

‎উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটের ব্যবহার করা হয়। এ নির্বাচনে প্রবাসীদের অংশগ্রহণ ছিল ব্যাপক। ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে ১৫ লাখ ২৮ হাজারেরও বেশি ভোটার নিবন্ধিত হয়েছিলেন।

‎এমনকি ওই নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট পড়ার হার ছিল ৭০ শতাংশ, যা সাধারণ ভোটের হারের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি ছিল। তবে এ দুই আসনে প্রবাসীদের অংশগ্রহণ হতাশজনক।

‎পোস্টাল ব্যালটের এমন পরিস্থিতির কারণ হিসাবে ইসি কর্মকর্তারা জানান, সাধারণত উপনির্বাচনগুলোতে ভোটের হার কম হয়। এ ছাড়া এবার প্রচার ও সচেতনতাও কম ছিল। তাই এমনটি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
‎সারাবাংলা/এনএল/এইচআই