ঢাকা: জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘যারা বছরের পর বছর দেশের বাহিরে ছিল তারাই এখন আমাদেরকে গুপ্ত আর সুপ্ত বলছে। অথচ তাদেরকে দেশের মানুষ বিগত ১৭ বছর কোথাও দেখেনি। আমরা কারাগারে ছিলাম, গুম-খুনের শিকার হয়েছি। কারাগারে থাকলে যদি কেউ গুপ্ত হয় তবে আমরা গুপ্ত। কিন্তু আমি কিংবা আমার কর্মীরা দেশ ছেড়ে কেউ পালিয়ে যায়নি। ৫ আগস্ট বিপ্লব না হলে যাদেরকে এই জাতি জীবনেও চোখে দেখতো না তারা এখন আমাদেরকে গুপ্ত বলছে।’
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গ্রীন রোড সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার মাঠে ঢাকা-১০ আসন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমি জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না, আমি ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। আমি জামায়াতে ইসলামীর জন্য ভোট চাইতে আসিনি, আমি এসেছি মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও সমস্যা জানতে এবং সমস্যা সমাধানে আমাদের করণীয় ঠিক করতে। আমরা চাই মানুষকে গোলামীর হাত থেকে মুক্ত করে মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে। যারা ভোট চাওয়ার কারণে মায়েদের বুকে লাথি দিয়েছে, যারা মায়েদের কাপড় খুলে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে তারাই আবার ফ্যামিলী কার্ড দিয়ে মায়েদের জন্য দরদ দেখাচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১০ আসন কমিটির পরিচালক অধ্যাপক নুর নবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াত নেতা ড. খলিলুর রহমান মাদানী, জুলাই শহিদ রমিজ উদ্দীনের পিতা একেএম রকিব উদ্দীন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, মহানগরী দক্ষিণের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুস সবুর ফকির, ড. হেলাল উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী।