চাঁপাইনবাবগঞ্জ: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ইনসাফ কায়েম হলে সমাজের সর্বস্তরে নারীদের প্রকৃত অধিকার ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নারীরা যাতে সম্মানের সঙ্গে সমাজে বিচরণ করতে পারেন এবং তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, জামায়াত সেই অঙ্গীকার পূরণ করবে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নওগাঁর জনসভা শেষ করে দুপুর ১টার দিকে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৌঁছান
চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রধান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে একগুচ্ছ উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পদ্মা নদীতে স্থায়ী বাঁধ, নদী ভাঙন রোধে এবং কৃষি সহায়তায় পদ্মা নদীতে পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রধান অর্থকরী ফসল আমের নায্যমূল্য নিশ্চিত করতে জেলায় আধুনিক আম সংরক্ষণাগার (কোল্ড স্টোরেজ) স্থাপন এবং বিদেশে আম রফতানির বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সামগ্রিকভাবে উত্তরবঙ্গকে বাংলাদেশের ‘কৃষিশিল্পের রাজধানী’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আমরা তরুণদের হাতে কেবল বেকার ভাতা তুলে দিয়ে তাদের অপমান করতে চাই না। আমরা চাই প্রতিটি তরুণের যোগ্যতা অনুসারে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে, যাতে তারা আত্মমর্যাদার সাথে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে।
তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে জামায়াত আমির বলেন, বেকার ভাতা কোনো স্থায়ী সমাধান নয়, বরং এটি তরুণদের সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করা। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কারিগরি ও মেধাভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণে অগ্রাধিকার দেবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের জনসভা শেষে ডা. শফিকুর রহমান রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন। সেখানেও নির্ধারিত নির্বাচনি জনসভায় তার বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।