Tuesday 10 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

রংপুর-৪ আসনে আখতার হোসেনের শেষ প্রচার মিছিলে হামলা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:২৪

আখতার হোসেনের শেষ প্রচার মিছিল।

রংপুর: রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেনের শেষ নির্বাচনি প্রচার মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১টার দিকে কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মিছিলের শেষ প্রান্তে থাকা একটি অটোরিকশায় স্লোগান দেওয়ার সময় স্থানীয় ছাত্রদল নেতা রিজভীর নেতৃত্বে একদল লোক হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা মাইক ছিনিয়ে নেয় এবং ভিডিও ধারণ করতে গেলে এক সমর্থকের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে ভেঙে ফেলে।

ঘটনার পরপরই হাজারো নেতাকর্মী তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল বের করে এবং সড়ক অবরোধ করে। পরে কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল হক ও কর্তব্যরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে হামলাকারীদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে নেতাকর্মীরা অবরোধ তুলে নেন।

বিজ্ঞাপন

ঘটনার পর আখতার হোসেন বলেন, ‘আমাদের প্রচার মিছিলের শেষ অটোরিকশায় ‘দিল্লি না ঢাকা-ঢাকা’ স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা রিজভীর নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। মাইক ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং ভিডিও ধারণ করায় আমাদের এক সমর্থকের মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলা হয়। আমরা মাইক ফেরত দেওয়ার জন্য সময় দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা তা ফেরত দেয়নি। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হবে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির প্রার্থী কোরআন শরীফে হাত রেখে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরা এনসিপির কর্মী-সমর্থকদের, বিশেষ করে নারী কর্মীদের নানাভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। প্রশাসনের দুর্বলতার কারণেই এসব ঘটনা ঘটছে, যা সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন নির্বাচনের ক্ষেত্রে বড় অন্তরায়।

ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ও নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে আখতার হোসেন দাবি করেন, শুধু কেন্দ্রের বাইরে নয়, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা জরুরি। এ বিষয়ে প্রশাসনকে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তিনি প্রশাসনের কাছে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান এবং ভোট কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা হলে ভোটাররাই তা প্রতিহত করবে বলে মন্তব্য করেন।

কাউনিয়া থানার ওসি নাজমুল হক বলেন, ‘ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পরপরই এসিল্যান্ডসহ আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করি। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ বা মামলা হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য, আখতার হোসেন ১১ দলীয় জোটের (এনসিপি-জামায়াতসহ) প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা (ধানের শীষ) এবং জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান (লাঙ্গল)ও এ আসনে লড়ছেন।

বিজ্ঞাপন

বেনাপোল সীমান্তে পিস্তল-গুলি উদ্ধার
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৫৮

আরো

সম্পর্কিত খবর