Saturday 14 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

রংপুরে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে বিএনপির সড়ক অবরোধ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:০৩

বিক্ষোভে বিএনপির প্রার্থী।

রংপুর: রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী আখতার হোসেনের বিজয় ঘোষণার পর বিএনপির ভোট পুনর্গণনার দাবিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এলাকা।

বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের সহায়তায় ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় আট হাজার ৫০০ ভোট বাতিল করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা থেকে তিনি তার দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ঢাকা-কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

আখতার হোসেন এক লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী ঘোষিত হয়েছেন। এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন এক লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪ ভোট। দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান নয় হাজার ৪০২। মোট ভোটার পাঁচ লাখ নয় হাজার ৯০৬ জন; আর ভোটার উপস্থিতি ৫১.৩ শতাংশ।

এমদাদুল হক ভরসা বলেন, ‘বেলা ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে প্রতিপক্ষের লোকজন মব সৃষ্টি করে এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় ফলাফল পরিবর্তন করা হয়। আমি শতভাগ আশাবাদী ছিলাম যে জনগণের রায়ে বিজয়ী হব। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে আমার পক্ষের প্রায় আট হাজার ৫০০ ভোট বাতিল দেখানো হয়েছে। পুনর্গণনা করলে প্রকৃত ফলাফল বেরিয়ে আসবে। সঠিক বিচার না পেলে আমরা কঠোর আন্দোলন করব।’

বিক্ষোভকারীরা ঢাকা-রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে স্লোগান দিচ্ছে। এতে সড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে আখতার হোসেন বলেন, ‘বিএনপি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে যে কয়টা ভোট পেয়েছে, তা তো পেয়েছেই। এর অতিরিক্ত ভোট পেতে আর কোনো ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হতে দেব না। যদি চেষ্টা করা হয়, জনগণ দাঁতভাঙা জবাব দেবে। হাইকমান্ড বা তারেক রহমানের নির্দেশে টালবাহানা করলে জনগণ মেনে নেবে না। পুনর্গণনা হলেও সাড়ে আট হাজারের বেশি ব্যবধানে শাপলা কলি জিতবে। বিএনপির অভিযোগ সব মিথ্যা ও বানোয়াট।’

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. শাহান বলেন, ‘ভোট পুনর্গণনার আবেদনটি পেয়েছি। তা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করা হচ্ছে। কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর