ঢাকা: সারাদেশে বিএনপি কর্তৃক হামলার অভিযোগ তুলে অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। আর এই দাবি মানা না হলে রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে ডাকসুর নেতারা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ ঘোষণা দেন।
বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে তার নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসবাদী রাজনীতি বাংলাদেশে না চালানোর নির্দেশনা দিতে আহবান এবং জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল না করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে ডাকসু।
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব হয়েছে এই ফ্যাসিবাদি কাঠামো ভেঙে দেওয়ার জন্য, হাসিনাবাদী যে রাজনীতি সেই রাজনীতিকে ভেঙে নতুন রাজনীতি বিনির্মাণ করার জন্য। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, সেই হাসিনার রাজনীতি, ফ্যাসিবাদী আমলে যেমন দেখতে পেয়েছি নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা, মারামারি এবং দেখে নেওয়ার হুমকি।’ এই সহিংসতায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
তারেক রহমানের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনার নেতাকর্মী যারা আছে তাদের আপনি সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেন, এই সন্ত্রাসবাদী রাজনীতি বাংলাদেশে চলবে না, এই হুমকি দেওয়ার রাজনীতি বাংলাদেশে চলবে না।’
১১ দলীয় জোটের প্রধান এবং জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ বলেন, ‘নির্বাচন পরবর্তী উনি চাইলে দেশে অনেক অস্থিতিশীল করার কথা বলতে পারতেন। কিন্তু তিনি সারাদেশের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচন পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সারাদেশে তিনটা লাশ পড়েছে, যেটা খুবই অপ্রত্যাশিত। বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর সংঘটিত সহিংসতার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে ডাকসু তার প্রতিবাদ করে কি না? জিজ্ঞেস করলে এস এম ফরহাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘হ্যাঁ সবগুলোই। আমাদের জায়গা থেকে প্রত্যেকটা আক্রমণের বিরুদ্ধে, কোথাও যদি জামায়াত এটা করে, এনসিপিও করে, কারও ওপর আক্রমণ করে, আমরা এইটার বিরুদ্ধে থাকব।’