Sunday 05 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

আওয়ামী লীগের সময়ের বক্তব্যই দিয়েছেন সড়ক পরিবহণমন্ত্রী: মনিরুল হক

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
৫ এপ্রিল ২০২৬ ২২:৫১

সংসদে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ও কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।

ঢাকা: সংসদে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের দেওয়া জবাবে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। মন্ত্রীর বক্তব্যকে সাবেক আওয়ামী লীগ আমলের মন্ত্রীদের উত্তরের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেছেন, হতাশ হলাম। আওয়ামী লীগের সময় মন্ত্রীরা যে উত্তর দিতেন, মন্ত্রীসাব সেই উত্তর দিয়েছেন।

রোববার (৫ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের ওপর আলোচনাকালে বিএনপি দলীয় এই সংসদ সদস্য এসব কথা বলেন।

সম্পূরক প্রশ্নে মনিরুল হক চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, ‘সড়ক প্রকল্পে সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা খরচ হলেও প্রয়োজনীয় আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মিত হয়নি। অনুমোদিত ওভারপাসটি কেন হলো না? ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দিল ২০১৪ সালের কুত্তা মার্কা নির্বাচনের সময়। এরপর এত লোক মারা গেল, কিন্তু একজনও ক্ষতিপূরণ পায়নি।’

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রীর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে মনিরুল হক আরও বলেন, ‘মন্ত্রী মহোদয় বললেন ওভারপাস হবে, এক্সপ্রেসওয়ে হবে, এ রবীন্দ্রসংগীত বহু শুনেছি। আমাদের শান্তিমতো মরতে দেন। উনার প্রতিটি কথা সচিবেরা যা বলে দিয়েছে, যারা টাকা লুণ্ঠন করেছে, তারা শিখিয়ে দিয়েছে, সেটাই তিনি বলেছেন। আমি এর প্রতিবাদ করছি।’

জবাবে সড়ক পরিবহণমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ১০ লেনে উন্নীত করার জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলমান রয়েছে। এ প্রকল্প আগে থেকে চলমান আছে। আমরা শুধু নকশা পরিবর্তন করে ও বাজেট সমন্বয় করে কাজ করতে পারছি। সরকার নতুন এসেছে। সংসদ সদস্য আমাকে যা জ্ঞাত করেছেন, সে বিষয়ে সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের পাঠিয়েছি এবং কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আশা করি, দ্রুততম সময়ে দৃশ্যমান কিছু দেখতে পাব।

একপর্যায়ে স্পিকার মন্ত্রীর কাছে জানতে চান, এসব পদক্ষেপে মনিরুল হক চৌধুরীর সমস্যার সমাধান হবে কি না। জবাবে মন্ত্রী বলেন, আংশিক হবে।

এর আগে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন নোটিশ প্রস্তাবে বলা হয়, কুমিল্লায় পদুয়ার বাজারে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কুমিল্লা-নোয়াখালী সংযোগস্থলে ‘দানবীয় ব্যারিকেড’ স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া কুমিল্লার প্রবেশপথে টমছম ব্রিজসহ সাতটি স্থানে আন্ডারপাস ও সার্ভিস লেন নির্মিত না হওয়ায় স্থানটি ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, নতুন পরিকল্পনায় ওই অঞ্চলে তিনটি আন্ডারপাস এবং পদুয়ার বাজারে আরও দুটি আন্ডারপাস নির্মাণের কথা রয়েছে।

সারাবাংলা/এমএমএইচ/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর