ঢাকা: অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই কনটেইনার হ্যান্ডলিং চার্জ বা মাশুল ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রতিবাদ জানিয়ে বিষয়টি অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা এবং সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স এসোসিয়েশন’ (বিএএফএফএ)। একই সঙ্গে চার্জ না বাড়িয়ে সেবার মান ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংগঠনটি।
শনিবার (৩০ আগস্ট) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-তে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএএফএফএ’র সদস্য আবরারুর আলম।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদস্য আনোয়ার হোসেন, আদনান ইকবাল, হাসনাত আবদুল্লাহ, মুনিম মাহফুজ, শামসুল হক প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বেসরকারি ডিপো মালিকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো এসোসিয়েশন’ (বিকডা) কর্তৃক অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই কনটেইনার হ্যান্ডলিং চার্জ ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যা আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। দেশের সার্বিক সংকটের সময় বর্ধিত এ চার্জ রফতানিকারকদের জন্য বড় চাপ তৈরি করবে এবং দেশের সার্বিক আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি তৈরি হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আবরারুর আলম বলেন, কার্গো আনলোডের সময় কমানো, আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার নিশ্চিত করা, শ্রমিক সংকট দূর করা ও সার্ভিস উন্নয়নের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব। খরচ বাড়িয়ে নয়, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে ডিপো পরিচালনা করা জরুরি।
তিনি জানান, আমাদের সঙ্গে একাত্ম প্রকাশ করে বিজিএমইএ এরই মধ্যে চট্টগ্রাম পোর্টে চিঠি দিয়েছে, অন্য রপ্তানিকারকরাও এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের পক্ষে আছেন।
আবরারুর আলম বলেন, চার্জ বাড়ানোর পরিবর্তে পরিষেবা উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও ডিপো পরিচালনার দক্ষতা বাড়াতে হবে। কার্গো আনলোডের সময় কমানো, পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ, দক্ষ শ্রমিক নিশ্চিত করা ও আধুনিক ইকুইপমেন্ট ব্যবহারের মাধ্যমে খরচ না বাড়িয়ে সেবার মানোন্নয়ন দরকার। কনটেইনার হ্যান্ডলিং চার্জ না বাড়িয়েই এসব কাজ করা সম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।