ঢাকা: নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক বা শারীরিকভাবে অক্ষমদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ন্যাশনাল কনসালটেশন অন ইনক্লুসন অব পারসন উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিস ইন ইলেকটোরাল প্রসেস’ কর্মশালায় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
এ নির্বাচন কমিশনার জানান, আগামী নির্বাচনের প্রতিবন্ধীরা ভোটাধিকার করতে পারবেন। নির্বাচন অন্তর্ভূক্তিমূলক করতে বয়স্ক, শারীরিকভাবে অক্ষম, প্রতিবন্ধী ভোটারদের সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য ইসি কাজ করছে। আর এজন্য পরিবার ও সমাজের সহযোগিতারও প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে সচেনতা আছি। আমরা এটা বিবেচনায় নেবে এবং আজকের কর্মশালাটিও এড্রেস করবো। পরিবার ও সমাজের পক্ষ থেকে যথাযথ সহায়তা না পেলে শুধুমাত্র ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ ঠিক রাখলা, ভোটাররা এলেন না তাহলে কি হবে।’
৩৬ জুলাই আমাদের জন্য অনেক পরিবর্তন এনেছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আজকের আলোচনাটাই ৩৬ জুলাইয়ের ফসল। কারণ আমরা যেখানে নির্বাচনই ভুলে গিয়েছিলাম, নির্বাচনে অংশগ্রহণ তাও আবার বিশেষভাবে চাহিদাসম্পন্ন মানুষের-এগুলো তো প্রায়োরিটি লিস্টের অনেক পিছনে ছিল। এখন অন্তত পক্ষে এটা সামনে এসেছে, আমরা এটা নিয়ে বলতে পারছি।’
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘সার্বিকভাবে পুরো সমাজেই আমরা তাদের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা করতে পারিনি। ইসি এর বাইরে নয়৷ এটা দু:খজনক। আমাদের অনেক পথ এগোতে হবে। মানসিকভাব যারা আসবেন না, তাদের ছাড়া সকলের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। শুধু দৃষ্টি প্রতিবন্ধি নয়, যাদের হাতটা কাঁপে, কেন্দ্রে যেতে পারেন না, কেবল প্রতিবন্ধী নয় যারা বয়স্ক, তাদেরও সহায়তা দেওযার বিধান রয়েছে।’
ইউএনডিপি, নির্বাচন কমিশন ও সাইটসেভারর্স আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা অনেকে সমস্যার কথা তুলে ধরেন প্রতিবন্ধীরা।
অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দিতে প্রস্তত বলে জানান ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘সংবিধানের কোনো ধারাতেই প্রতিবন্ধ্বীদের (ভোটাধিকারে) কোনো রেস্ট্রিকশন আনা হয়নি। আমাদের দিক থেকেও তাদের ভোটে অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো অসুবিধা নেই।’