Monday 05 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

অঞ্চলভিত্তিক মনোনয়ন বৈধ ও বাতিলের হার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৪ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:৫৮ | আপডেট: ৪ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:২৭

ঢাকা: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোটে ৩০০ আসনে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৮৪২ জন। এছাড়া মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ৭২৩ জনের।

‎রোববার ৪ জানুয়ারি রাতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক ও তথ্য কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

‎ইসির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০টি প্রশাসনিক অঞ্চলের মধ্যে-

‎* রংপুর অঞ্চলের ৩৩টি আসনের বিপরীতে ২৭৯টি জমা পড়ে। বৈধ হয়েছে ২১৯টি এবং বাতিল হয়েছে ৫৯টি।

‎* রাজশাহী অঞ্চলের ৩৯টি আসনের বিপরীতে ২৬০টি জমা পড়ে। বৈধ হয়েছে ১৮৫টি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে ৭৪ জনের।

‎* খুলনা অঞ্চলের ৩৬টি আসনের বিপরীতে ২৭৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। এদের মধ্যে ১৯৬জন বৈধ এবং ৭৯জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

‎* বরিশাল অঞ্চলের ২১টি আসনের বিপরীতে ১৬২জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। এদের মধ্যে বৈধ প্রার্থী ১৩১জন এবং বাতিল হয়েছে ৩১জনের।

‎* ময়মনসিংহ অঞ্চলের ৩৮টি আসনের বিপরীতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন ৩১১ জন। আর প্রার্থীতা বৈধ হয়েছে ১৯৯ জনের। তবে বাতিল হয়েছে ১২২ জনের।

‎* ঢাকা অঞ্চলের ৪১টি আসনের বিপরীতে ৪৪২ জন মনোণয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু এদের মধ্যে ৩০৯জনের মনোনয়নপত্র বৈধ করে ঘোষিত হয়। আর ১৩৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

‎* ফরিদপুর অঞ্চলের ১৫টি আসনের বিপরীতে ১৪২ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। এদের মধ্যে ৯৬ জনের প্রার্থীতা বৈধ হয়। আর ৪৬ জনের বাতিল ঘোষণা করা হয়।

‎* সিলেট অঞ্চলের ১৯টি আসনের বিপরীতে ১৪৬জন মনোণয়নপত্র জমা দেন। ১১০জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৩৬জনের বাতিল ঘোষণা করা হয়।

‎* কমিল্লা অঞ্চলের ২৫টি আসনের বিপরীতে ৩৫৭জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। এদের মধ্যে ২৫৯ জনের বৈধ এবং ৯৭ জনের বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়।

‎* চট্টগ্রাম অঞ্চলের ২৩টি আসনের বিপরীতে ১৯৪জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। এদের মধ্যে ১৩৮ জনের মনোণয়নপত্র বৈধ এবং ৫৬ জনের বাতিল ঘোষনা করা হয়।

‎বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যু বরণ করায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩ আসনের তাঁর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ছাড়াই কার্যক্রম শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন।

‎ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে।

‎‎প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি। প্রতীক পাওয়ার পর ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে পারবেন, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।