পাকিস্তানের আপত্তির মুখে ভারত-শ্রীলংকা মিলিয়ে ‘হাইব্রিড’ পদ্ধতিতে হতে চলেছে এবারের টি-২০ বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের সূচিসহ সব প্রস্তুতি যখন সম্পন্ন, ঠিক তখনই বেঁধেছে বড় বিপত্তি। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে যেতে আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ যদি শেষ পর্যন্ত ভারতে খেলতে না যায়, কতটা ক্ষতির মুখোমুখি হতে হবে ভারতকে?
গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ খেলবে ৪টি ম্যাচ। সব ম্যাচই হবে ভারতের মাটিতে। গ্রুপ সিতে কলকাতায় ৩টি ও মুম্বাইয়ে একটি ম্যাচে মাঠে নামার কথা বাংলাদেশের। এরই মধ্যে কলকাতার ইডেন গার্ডেনস ও মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এই ম্যাচগুলো আয়োজনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ।
বাংলাদেশের ৪ ম্যাচের টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে আগেই। এরই মধ্যে বিক্রিও হয়েছে গেছে টিকিটের বড় একটা অংশ। কলকাতায় ১০০ রুপি থেকে শুরু হয়েছে টিকিটের মূল্য, মুম্বাইয়ে সেটা ২৫০ রুপি। ইডেনের ধারণ ক্ষমতা ৬৩০০০, ওয়াংখেড়ের ৩৩০০০।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, কলকাতা ও মুম্বাইয়ের দুই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতার হিসেব করলে, বাংলাদেশের এই বর্জনে টিকিট বাবদই বড় অংকের ক্ষতি মুখে পড়তে যাচ্ছে ভারত। শুধু টিকিট নয়, হোটেল, নিরাপত্তা স্পন্সর ও অন্যান্য খরচ বাবদ বড় অংক ইনভেস্ট করা এরই মধ্যেই হয়ে গেছে ভারতের।
হিন্দুস্তান টাইমস ধারণা করছে, বাংলাদেশ যদি ৪টি ম্যাচই খেলতে না আসে, তাহলে প্রায় ৩০ কোটি রুপির ক্ষতির মুখে পড়বে বিসিসিআই। যদি বাংলাদেশের খেলা শ্রীলংকায় নিয়ে যাওয়া হয়, তাহলে কিছুটা ক্ষতিপূরণ পাবে ভারত। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র আয়োজনের খরচটা ফেরত দেওয়া হবে বিসিসিআইকে। তবে লাভের অংশ থেকে বঞ্চিত হবেন তারা। ভারত তাই নিশ্চিতভাবেই ক্ষতির মুখে পড়বে।
শেষ পর্যন্ত আইসিসি কি সিদ্ধান্ত নেয়, সেটার দিকেই তাকিয়ে আছে বাংলাদেশ ও ভারত।