নোয়াখালী: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় অপহরণের ৪১ দিন পর স্কুলছাত্রীকে (১৪) উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. সাহেদুল ইসলাম সুজনকে (২২) গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
অভিযুক্ত মো. সাহেদুল ইসলাম সুজন বেগমগঞ্জ উপজেলার বজরা ইউনিয়নের শীলমুদ গ্রামের মো. শহীদের ছেলে।

গ্রেফতার প্রধান অভিযুক্ত মো. সাহেদুল ইসলাম সুজন।
পুলিশ ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত স্কুলছাত্রী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত সুজন ও তার সহযোগীরা বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে ভিকটিমকে উত্যক্ত করে আসছিল এবং প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে রাজি না হওয়ায় গত ২৩ নভেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জোরপূর্বক তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে একই দিন বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে অপহরণ মামলা দায়ের হলে র্যাব-১১ ও নোয়াখালী গোয়েন্দা পুলিশ নজরদারি শুরু করে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ সিপিসি-৩ নোয়াখালী এবং র্যাব-১০-এর যৌথ অভিযানে রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয় এবং প্রধান আসামি সুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত বলেন, ‘উদ্ধারকৃত ভিকটিম ও গ্রেফতার আসামিকে বেগমগঞ্জ থানার মাধ্যমে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত আসামিকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে অপহৃত স্কুলছাত্রী ২২ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।’