ঢাকা: অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা খাতে চুক্তি করছে বাংলাদেশ। নির্বাচন পরবর্তী সরকার এসব চুক্তির ধারাবাহিকতা রাখবে কি না– এমন প্রশ্নকে হাইপোথিটিক্যাল (অনুমান নির্ভর) বলে মন্তব্য করলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও রোহিঙ্গা বিষয়ক হাই রিপ্রেজেনটেটিভ খলিলুর রহমান। তিনি আরও বললেন, এটা একটি চলমান প্রক্রিয়া।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন খলিলুর রহমান। পরে এক সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর বেরিয়ে যাওয়ার সময়ে সাংবাদিকরা জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার কারণে শেষ সময়ে এসে বাংলাদেশ বিমানের পরিচালক হওয়ার বিষয়ে জানতে চান। এর উত্তরে তিনি জানান, বিশ্বে কোথাও বিমান নেই।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই দিন দুপুর দেড়টার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসেন নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলে এ বৈঠক। তবে বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তন আনা হয়। পরিচালক পদে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেনটেটিভ খলিলুর রহমান (উপদেষ্টা পদমর্যাদা), ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদকে নিয়োগ দেওয়া হয়।