পঞ্চগড়: তারেক রহমান বাংলাদেশকে নিয়ে বড় বড় কথা বলে। কিন্তু ১৫ জন ঋণ খেলাপিকে মনোনয়ন দিয়েছেন, যারা নির্বাচিত হওয়ার আগে জনগণের ছয় হাজার কোটি টাকা করে লুটপাট করেছে। তারেক রহমানের পরিকল্পনা আমাদের হতাশ করেছে। তার নেতাকর্মীরা নিজেদের দ্বন্দ্বে নিজেদের ২০০ জনকে খুন করেছে। এর পরে তার নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী কায়দায় শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় জামায়াত ইসলামির সেক্রেটারিকে পর্যন্ত খুন করেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসায় এক নির্বাচনি পথসভায় এসব কথা বলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
সারজিস আলম বলেন দুই, তিনশ মানুষ প্রত্যেকটা ভোট সেন্টারে থাকবেন। ২০০-৩০ একটা ভোট চুরি করতে দিব না ইনশাআল্লাহ।
সারজিস আলম আরও বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, কেউ যদি বিন্দুমাত্র একটা ভোটকে নস্যাৎ করার চিন্তা নিয়ে আসে সে যেন হাসপাতালে একটা সিট বুকিং দিয়ে আসে। প্রশাসন যদি আটকাইতে না পরে আমরা কথা দিচ্ছি। অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে কোনও ভোট চোরকে নিরাপদে বাড়ি যাইতে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। জান দিয়ে দিবো একটা ভোট চুরি করতে দেবো না। মাঠে যে গণ জোয়ার তৈরি হয়েছে। আমরা যদি আমাদের ভোটগুলো বাঁচাতে পারি। এই ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা এই ইনসাফের বাংলাদেশে আগামী ১১ দলকে সরকার দল হিসেবে দেখার বিন্দুমাত্র কোনও বাধা থাকবে না।
এই নেতা আরও বলেন, মানুষের দিল যদি পরিবর্তন হয়ে যায়, লাখ কোটি টাকার ওই কালো টাকার খেলায় আমাদের কাছে কোন কিছুই হবে না ইনশাআল্লাহ। আপনাদের কাছে আহ্বান, তারেক রহমান আমাদেরকে এসে যেই পরিকল্পনা দিয়েছিলেন। সেই পরিকল্পনা আমাদের হতাশ করেছে।