ঢাকা: অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকক্ষের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
তিনি বলেন, স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ভোটগ্রহণ এবং গণনা কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দেবে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সিইসি।
তিনি বলেন, নির্বাচনে দেশি ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নিবিড় নজরদারি থাকবে। কমিশনের নীতিমালা মেনেই কাজ করবেন পর্যবেক্ষকরা। ভোট শেষে পর্যবেক্ষকদের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, শুরু থেকেই স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। যেকোনো ব্যত্যয় শনাক্তে প্রযুক্তি ও থার্মাল লেন্সের ব্যবহার করা হবে।
জনআস্থা বাড়াতে ‘গভীর অর্থবহ’ সম্পৃক্ততার উদ্যোগের কথা জানিয়ে সিইসি বলেন, নির্বাচনে অভিভাবক ও কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণে ভোটারদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিতের আশ্বাসও দেন তিনি।
নির্বাচন প্রক্রিয়ার ধারাবাহিক উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করে সিইসি বলেন, একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দিতে কমিশন শুরু থেকেই স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে।
অপরদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ (বুধবার) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণটি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতারসহ দেশের সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিওতে একযোগে তা সম্প্রচার করা হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর ইন্তেকালের কারণে ওই আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হবে। তবে বিকেল সাড়ে ৪টার পরও কেন্দ্রের চৌহদ্দির মধ্যে কোনো ভোটার অপেক্ষমাণ থাকলে আইন অনুযায়ী তাদের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করা হবে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিলেন।