চট্টগ্রাম ব্যুরো: রূদ্ধশ্বাস অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়েছে। সারাদেশের মতো বন্দরনগরী চট্টগ্রামেও ভোটের উৎসব লেগেছে। জেলা ও মহানগরী মিলিয়ে ১৬টি সংসদীয় আসনে এবার ভোটার প্রায় ৬৭ লাখ। প্রার্থী আছেন ১১৫ জন। এবারের নির্বাচনে ভোটারেরা সংসদ সদস্য নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটেও অংশ নিচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়েছে বহু আকাঙ্খিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ও গণভোট। একটানা চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এরপর গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতভর নগরী ও জেলাজুড়ে ভোটকেন্দ্রের আশপাশে টহল দিয়েছে পুলিশ-সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৪০ হাজার সদস্য মোতায়েন আছে।
চট্টগ্রামে এবার মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৯৬৫টি। এর মধ্যে ৬৫৩টি কেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে এসব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রগুলোর মধ্যে ৬০৭টি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপির) ১৬ থানার আওতাধীন। বাকি ১৩৫৮টি কেন্দ্র জেলা পুলিশের ১৭টি থানার আওতাধীন। নগরীতে ৬০৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩১০ টি ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর জেলা পুলিশের অধীনে ৩৪৩টি কেন্দ্রকে ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
গতকাল (বুধবার) দুপুরের মধ্যে কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হয়। ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পৌঁছে রাতেই ভোটগ্রহণ কক্ষ প্রস্তুত করেন। চট্টগ্রামে ১৯৬৫টি কেন্দ্রে মোট ১২ হাজার একটি ভোটকক্ষ বা বুথে ভোটগ্রহণ হচ্ছে।
চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে এবার মোট ভোটার ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৫১৭ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৮৭৭ জন এবং মহিলা ভোটার ৩১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭০জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ৭০জন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৩১৭ জন।
চট্টগ্রামে ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটির অবস্থান পুরোপুরি মহানগরীতে। ১০টি আসনের অবস্থান জেলায়। বাকি তিনটি আসন জেলা ও মহানগরীর কিছু অংশ মিলে আছে। চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে মহানগরী ও নগরী সংলগ্ন উপজেলা মিলিয়ে মোট ৫টি আসনে বিভাগীয় কমিশনার, মহানগরীর একটি আসনে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং জেলার ১০টি আসনে জেলা প্রশাসক রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে আছেন।
তিনজন রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে আলাদা তিনটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। সেখান থেকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে খোলা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জেলার ১০টি সংসদীয় আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে চালু করা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে ৫টি সংসদীয় আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে, যেগুলোর রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে বিভাগীয় কমিশনার দায়িত্ব পালন করছেন। আর চট্টগ্রাম বন্দর স্টেডিয়ামে আরেকটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছেন চট্টগ্রাম-১১ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা। সেখানে ওই আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। একইভাবে গণভোটের ফলাফলও ঘোষণা করা হবে।
চট্টগ্রামে ভোটযুদ্ধে ১১৫ প্রার্থী
চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই): ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির নুরুল আমিন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি’র একেএম আবু ইউছুপ (তারা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেজাউল করিম (আপেল), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী (হাত পাঞ্জা), জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন (লাঙ্গল)।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি): এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিন (দাঁড়িপাল্লা), জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী (কলম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ জুলফিকার আলী মান্নান (হাতপাখা), গণ অধিকার পরিষদের রবিউল হাসান (ট্রাক), বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি- বিএসপি’র শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমেদ (একতারা), দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির (ফুটবল) ও জিন্নাত আকতার (হরিণ)।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ): জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আলাউদ্দিন (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপি’র মোস্তফা কামাল পাশা (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মাওলা (ফুটবল)।
চট্টগ্রাম- ৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরীর একাংশ): বিএনপির আসলাম চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. আনোয়ার ছিদ্দিক (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি- সিপিবি’র মো. মছিউদদৌলা (কাস্তে), গণ অধিকার পরিষদের এটিএম পারভেজ (ট্রাক), গণ সংহতি আন্দোলনের জাহিদুল আলম (মাথাল), নেজামে ইসলামী পার্টির মো. জাকারিয়া খালেদ (বই), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দিদারুল মাওলা (হাতপাখা), বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি- বিএসপি’র শহীদুল ইসলাম চৌধুরী (একতারা), ইসলামী ফ্রন্টের সিরাজুদ্দৌলা (মোমবাতি)।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও নগরীর একাংশ): বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মতিউল্লাহ নূরী (হাতপাখা), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (চেয়ার), লেবার পার্টির মো. আলা উদ্দিন (আনারস), খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দিন (রিক্সা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ (ফুটবল)।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান): বিএনপির গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের মো. শাহাজাহান মঞ্জু (দাঁড়িপাল্লা), গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দীন তালুকদার (মাথাল), ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী (মোমবাতি)।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া): বিএনপির হুমাম কাদের চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর এটিএম রেজাউল করিম (দাঁড়িপাল্লা), সিপিবির প্রমোদ বরণ বড়ুয়া (কাস্তে), ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল্লাহ আল হারুন (হাতপাখা), ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ ইকবাল হাছান (মোমবাতি), এবি পার্টির মো. আবদুর রহমান (ঈগল), গণঅধিকার পরিষদের মো. বেলাল উদ্দিন (ট্রাক), জাতীয় পার্টির মো. মেহেদী রাসেদ (লাঙ্গল)।
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী উপজেলা ও নগরীর একাংশ): ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির এরশাদ উল্রাহ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের আবু নাছের, এনসিপি’র মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ (শাপলা কলি). ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ এমদাদুল হক (আপেল), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ নুরুল আলম (হাতপাখা) ও ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান (মোমবাতি)।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া): জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি’র আবদুল মোমেন চৌধুরী (তারা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস শুক্কুর (হাতপাখা), জামায়াতের একেএম ফজলুল হক (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (চেয়ার), বিএনপির আবু সুফিয়ান (ধানের শীষ), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন (আপেল), নাগরিক ঐক্যের নুরুল আবছার মজুমদার (কেটলি), বাসদ (মার্কসবাদী) মো. শফিউদ্দিন কবির (কাঁচি), জনতার দল হায়দার আলী চৌধুরী (কলম), গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ (মাথাল)।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, হালিশহর ও খুলশী): বিএনপির সাঈদ আল নোমান (ধানের শীষ), জামায়াতের শামসুজ্জামান হেলালী (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী (লাঙ্গল), বাসদ (মার্কসবাদী) আসমা আকতার (কাঁচি), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. লিয়াকত আলী (চেয়ার), ইসলামী আন্দোলনের মাহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লবের সাবিনা খাতুন (আপেল), লেবার পার্টির ওসমান গণি (আনারস), স্বতস্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী (ফুটবল)।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা): বিএনপি’র আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের মোহাম্মদ শফিউল আলম (দাঁড়িপাল্লা), বাসদ (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার (কাঁচি), গণফোরামের উজ্জ্বল ভৌমিক (উদীয়মান সূর্য), জাতীয় পার্টির আবু তাহের (লাঙ্গল), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ আবু তাহের (চেয়ার), বাসদের মো. নিজামুল হক আল কাদেরী (মই), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. আজিজ মিয়া (আপেল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুর উদ্দিন (হাতপাখা), গণ অধিকার পরিষদের মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন (ট্রাক) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া (সূর্যমুখী ফুল)।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া): বিএনপির এনামুল হক এনাম (ধানের শীষ), জামায়াতের মোহাম্মদ ফরিদুল আলম (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের এসএম বেলাল নূর (হাতপাখা), ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু (মোমবাতি), জাতীয় পার্টির ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী (লাঙ্গল), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ আবু তালেব হেলালী (আপেল), এলডিপির এম এয়াকুব আলী (ছাতা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন (ফুটবল)।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী): জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী (লাঙ্গল), ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান (মোমবাতি), জামায়াতের মাহমুদুল হাসান (দাঁড়িপাল্লা), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মু. রেজাউল মোস্তফা (আপেল), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন- এনডিএম’র মোহাম্মদ এমরান (সিংহ), গণঅধিকার পরিষদের মো. মুজিবুর রহমান চৌং (ট্রাক) বিএনপি’র সরোয়ার জামাল নিজাম (ধানের শীষ)।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ উপজেলা ও সাতাকানিয়ার একাংশ) : বিএনপির জসীম উদ্দীন আহমেদ (ধানের শীষ), ইনসানিয়াত বিপ্লবের এইচএম ইলিয়াছ (আপেল), এলডিপি’র ওমর ফারুক (ছাতা), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ বাদশা মিয়া (লাঙ্গল), ইসলামী ফ্রন্টের মো. সোলাইমান (মোমবাতি), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী (ফুটবল). শফিকুল ইসলাম রাহী (মোটর সাইকেল)।
চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া উপজেলা ও সাতকানিয়ার একাংশ): বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের শরীফুল আলম চৌধুরী (হাতপাখা) ও জামায়াত ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী (দাঁড়িপাল্লা)।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী): বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামিক ফ্রন্টের আবদুল মালেক (চেয়ার) , মুসলিম লীগের এহছানুল হক (হারিকেন), গণঅধিকার পরিষদের মো, আরিফুল হক (ট্রাক), ইসলামী আন্দোলনের হাফেজ রুহল্রাহ (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র প্রাথী মোহাম্মদ লেয়াকত আলী (ফুটবল)।