Wednesday 25 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বইমেলায় নাশকতা ও মবের কোনো আশঙ্কা নেই: ডিএমপি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:৪৫ | আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:৫২

– ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: বইমেলাকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও মবের কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মো. সরওয়ার।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বইমেলায় নিরাপত্তা উপলক্ষ্যে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণসহ আশপাশের এলাকায় বাংলা একাডেমি এই বইমেলার আয়োজন করছে। প্রতিবারের মতো এবারও বইমেলাকে ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা ব্যবস্থা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। রাতে কন্ট্রোল রুমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকিতে থাকবেন। বইমেলা সার্বিক নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, বইমেলায় বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান গেট কেন্দ্রিক এবং আভ্যন্তরিক কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশের বিশেষ টিম মোতায়ন থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে লোক সমাগম বেশি হবে বিধায় ওই সময়ে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। মেলা প্রাঙ্গণ কেন্দ্রিক ফুট পেট্রোল ব্যবস্থা এবং মুক্ত মঞ্চ কেন্দ্রিক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও থাকবে। বইমেলার প্রবেশ মুখে মেটাল ডিটেক্টর এবং আর্চওয়ে দ্বারা মানুষের প্রবেশের সময় চেকিংয়ের পাশাপাশি ম্যানুয়াল টেকিং ব্যবস্থা থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ধারালো বস্তু, বিস্ফোরক দ্রব্য কিংবা দাহ্য পদার্থ নিয়ে বইমেলায় কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। ৩০০ ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার মাধ্যমে মেলার ভেতরে এবং চারপাশে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। ডগ স্কোয়াড দিয়ে মেলা প্রাঙ্গণ এবং আশেপাশের এলাকা সুইপিং করা হবে। হকার, ছিনতাইকারী ও পকেটমারের তৎপরতা রোধে বিশেষ টিমের ব্যবস্থা থাকবে। মেলায় আগত নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। বইমেলা কেন্দ্রিক বিভিন্ন প্রবেশ পথে নিরাপত্তা ব্যারিকেড স্থাপন করা হবে।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ বলেন, বইমেলা প্রাঙ্গণে ফায়ার টেন্ডার, অ্যাম্বুলেন্স ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকবে। রাত্রিকালে পর্যাপ্ত সার্চলাইট-এর ব্যবস্থা রাখা হবে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের ডিবি, সিটিটিসি, বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট, সোয়াত টিম সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। বইমেলায় লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড সেন্টার, ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার, হেল্প ডেক্স ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র থাকবে। মেলায় বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা থাকবে।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনে এমন বই যাতে মেলায় না আসে, সেদিকে নজর রাখা হবে বলেও জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সরওয়ার।

বইমেলায় ট্রাফিক নির্দেশনা জানিয়ে তিনি বলেন, বইমেলা উপলক্ষ্যে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ থেকে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ট্রাফিক বিভাগ থেকে কয়েকটি ডাইভারশন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দিনে এবং রাতে কোন বাড়ি গাড়ি প্রবেশ করবে না। আগের মতো দোয়েল চত্বর এবং টিএসসি এলাকায় রাস্তা সবসময় বন্ধ থাকবে না ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য এটিকে মাঝেমধ্যে খুলে দেওয়া হবে।

সারাবাংলা/এমএইচ/এসআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর