Wednesday 25 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি পর্যালোচনা পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৪৪ | আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:০৩

-ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়টি আরও পর্যালোচনা করে এরপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে- বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম ও বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, সে ব্যাপারেও এখনো বলার মতো কোনো অবস্থা তৈরি হয়নি। আমরা দেখছি, এর পক্ষে-বিপক্ষে কী আছে। একটি চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে দুটি দিকই থাকবে, সেটা স্বাভাবিক। আমরা সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখছি। এরপর করণীয় ঠিক করবো।

বিজ্ঞাপন

বিগত অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়গুলো গোপন করা ও সেটা তড়িঘড়ি করে করেছে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, কিছু নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট ছিল, সেটা চুক্তির আলোচনার সময়। তবে এ চুক্তিটা একটি সেনসিটিভ ইস্যু ছিল। যাদের সঙ্গে চুক্তি, দেশটাও আমাদের জন্য অনেক সেনসেটিভ। বিভিন্ন কারণেই এই বিকাশমান পরিস্থিতিতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ বিষয়টি আসলে এখনো বিকাশমান। যেটাকে আমরা ইংলিশে বলি ইভলভিং সিনারিও। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সবোর্চ্চ আদালত আগের ধার্যকৃত ট্যারিফ মেইন্টেনেবল না ঘোষণা করেছে। এরপর তারা সব দেশের জন্য প্রথমে ১০ শতাংশ, পরে ১৫ শতাংশ ট্যারিফ করেছে। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে শুধু ঘোষণা শুনছি, কিন্তু সরকারি পর্যায়ে লিখিত কিছু পাইনি। আর যুক্তরাষ্ট্র তাদের দেশের আইন অনুযায়ী ১২২ আইনি ব্যাখ্যা যা আছে, সেটা ১৫০ দিনের মধ্যে তাদের ইউএস কংগ্রেস কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। আর বাদ বাকি যা টিভিতে আমরা দেখছি, সরকারি কোনো কাগজপত্র আসেনি। ফলে সিনারিওটা আবারো আমি বলবো ইভলভিং।

শুল্ক ও চুক্তি বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মন্তব্য প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের ডেকেছি, অনেক বড় রেঞ্জের আলোচনার জন্য। চুক্তিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কোন সেক্টরের কী সমস্যা সেগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

বর্তমান দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যেসব পণ্য আমদানি তদারকি করে, সেসব পণ্যের দাম স্বাভাবিক রয়েছে বাজারে। তবে কিছু পণ্য একসঙ্গে অনেকে কেনার কারণে দাম বেড়ে গেছে, সেগুলো সবজি জাতীয়।

তিনি বলেন, রমজানের শুরুতে অনেকে একসঙ্গে একমাসের বাজার করেন। বিক্রেতারাও পরিস্থিতি ও শূন্যতার সুযোগ নেয়। ৪০-৫০ টাকার লেবু ১২০ হয়ে গেছে ওই পরিস্থিতিতে। এরপর কিন্তু ঠিকই আবারও আগের দামে ফিরে এসেছে।

চাঁদাবাজি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজি বন্ধে এতদিন বিভিন্ন সরকার আশ্বাস দিলেও কাজ হয়নি। অপেক্ষা করেন, আমরা কাজ করে দেখাবো।

বিজ্ঞাপন

রমজানের রাত্রি ও তারাবির আলোকিত আবহ
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:২৪

আরো

সম্পর্কিত খবর