টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই তার বাবা অসুস্থতার খবরটা জানা ছিল সবারই। গত রাতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাঁচা মরার ম্যাচে ভারতের জার্সি গায়ে মাঠে না নামলেও ডাগআউটে ছিলেন রিংকু সিং। দলের দারুণ এক জয়ের পর দুঃসংবাদ পেলেন এই ভারতীয় ব্যাটার। বিশ্বকাপের মধ্যেই বাবাকে হারালেন রিংকু।
যকৃতের ক্যান্সারে ভুগছিলেন রিংকুর বাবা খানচাড় সিং। গ্রেটার নয়ডার একটি হাসপাতালে জীবনাবসান হয়েছে তার। ভারতের সাবেক অফ স্পিনার হরভজান সিং আজ সকালে সামাজিক মাধ্যমে খবরটি জানান।
হরভজন জানান, ‘রিংকু সিংয়ের বাবা শ্রী খানচাঁড় সিংজির মৃত্যুতে আমি শোকাহত। রিংকু এবং তার পরিবারের জন্য সময়টি ভীষণ কঠিন, যদিও সে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দায়িত্ব পালনে নিবেদিত আছে। আমার আন্তরিক সমবেদনা এবং প্রার্থনা তার সঙ্গে থাকল।’
চতুর্থ পর্যায়ের ক্যান্সারের সঙ্গে বেশি কিছুদিন ধরেই ভুগছিলেন খানচাঁড় সিং। কদিন আগে অবস্থার অবনতি হলে গ্রেটার নয়ডার একটি হাসপাতালে ভেন্টিলেটরে রাখা হয় তাকে। বিশ্বকাপে দলের সঙ্গে থাকা রিংকু ছুটি নিয়ে বাবার পাশে থাকতে ছুটে যান। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বৃহস্পতিবারের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে আবার দলের সঙ্গে যোগ দেন তিনি।
বিশ্বকাপের আগের পাঁচটি ম্যাচেই মাঠে নামা ২৮ বছর বয়সী রিংকু জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে গত রাতের ম্যাচে একাদশে সুযোগ পাননি। তবে ডাগ আউটে ছিলেন, বদলি হিসেবে ফিল্ডিং করতেও নেমেছিলেন। দুঃসংবাদ পেয়ে পরিবারের কাছে ছুটে গেছেন তিনি।
চেন্নাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়ের পর রোববার কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লড়বে ভারত, কার্যত যেটি কোয়ার্টার-ফাইনালের লড়াই। বাঁচামরার সেই লড়াইয়ে রিংকু দলের সঙ্গে থাকবেন কি না, আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি কিছু।