ঢাকা: দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সামান্য বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৩০ মার্চ দেশের মোট (গ্রস) রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪০৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার।
সোমবার (৩০ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-এর বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুযায়ী হিসাব করা রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৩৫ কোটি ৯০ লাখ ৭০ হাজার ডলার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রস রিজার্ভে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট বৈদেশিক মুদ্রা সম্পদ অন্তর্ভুক্ত থাকে। তবে বিপিএম৬ পদ্ধতিতে কিছু দায় ও স্বল্পমেয়াদি ঋণ বাদ দিয়ে প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। ফলে বিপিএম৬ হিসাবকে তুলনামূলকভাবে বেশি বাস্তবসম্মত ধরা হয়।
এদিকে সম্প্রতি প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) বৃদ্ধি এবং আমদানি ব্যয় কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকায় রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। পাশাপাশি বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও রফতানি আয়ের প্রবাহও রিজার্ভ ধরে রাখতে ভূমিকা রাখছে।
রিজার্ভের এই অবস্থান দেশের আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাধারণত ৩ মাসের আমদানি ব্যয় সমপরিমাণ রিজার্ভকে নিরাপদ ধরা হয়, আর বর্তমান রিজার্ভ সেই সক্ষমতার কাছাকাছি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।