ঢাকা: বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ সাধারণ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ২৮টি ভোট পরেছে। এর মধ্যে বগুড়া-৬ আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তা পেয়েছেন ৩টি ব্যালট এবং শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা পেয়েছেন একটি ব্যালট।
বুধবার ৮ এপ্রিল সকাল দশটা পযন্ত এই দুই আসনে এ সংখ্যক ব্যালট জমা পড়েছে বলে জানান ইসির ‘আউট অব কান্ট্রি ভোটিং (ওসিভি) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন’ প্রকল্পের টিম লিড ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সালীম আহমাদ খান।
এই দুই আসনের নির্বাচন হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (এপ্রিল ৯) সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা। বিকেল সাড়ে চারটা পযন্ত পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেয়া যাবে।
এ বিষয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সালীম আহমাদ খান জানান, এই দুই আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ৭৩০৯ ভোটার। বগুড়া-৬ আসনে ১ হাজার ২৮১ জন প্রবাসীকে ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২৩ জন। আর রিটার্নিং কর্মকর্তা পেয়েছেন তিনটি ব্যালট। এই আসনেই দেশের ভেতরে ভোট দিতে নিবন্ধন করা ২ হাজার ৪৫৫ জনকে ব্যালট পাঠানো হয়েছে। ভোট দিয়েছেন ৮৪৪ জন এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা পেয়েছেন ৬১৬টি ব্যালট।
এদিকে, শেরপুর-৩ আসনে ৩৮৩ জন প্রবাসীকে ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন পাঁচজন এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ব্যালট জমা পড়েছে একটি।
এই আসনে দেশের ভেতরে ভোট দিতে ৩ হাজার ১৯০ জনকে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১৪৯৫ জন এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ব্যালট এসেছে ১২৪৫টি।
বগুড়া-৬ আসনের উপ নির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালটে ভোট নেওয়া শুরু হয়েছে গত ৩০ মার্চ থেকে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট চালু করে ইসি।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২৯৯ আসনে সংসদ নির্বাচন হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনের ভোটে জয়ী হন। পরে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দিলে ইসি আসনটি শূন্য ঘোষণা করে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করে। এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আট দিন আগে শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর বৈধ প্রার্থী মারা যাওয়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই আসনের নির্বাচন স্থগিত করে।
বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন-, জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার।
শেরপুর-৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র থেকে মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান।