Thursday 09 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেম মেরামতে বিপুল অর্থ লোপাট, অনুসন্ধানে দুদক

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:১৫ | আপডেট: ৯ এপ্রিল ২০২৬ ২০:০০

‎ঢাকা: ‎জাতীয় সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলের সাউন্ড সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের নামে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

‎বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) কমিশনের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎এই দুর্নীতির অভিযোগে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে নাম এসেছে কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেডের সিইও জাহিদুর রহিম জোয়ারদারের। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সঙ্গে নিকটাত্মীয়তার সুবাদে তিনি একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে আসছিলেন।

বিজ্ঞাপন

‎দুদকের উপপরিচালক মো আকতারুল ইসলাম বলেন, গত কমিশন থেকে অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক প্রবীর কুমার দাসকে কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে অভিযোগ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে রেকর্ডপত্র চেয়ে চিঠি দিয়েছে। রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করার পর অনুসন্ধানে কর্মকর্তা সুপারিশের আলোকে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়,জাহিদুর রহিম জোয়ারদার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলে স্থাপিত এসআইএস সিস্টেমের পরিচালনা, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ নিয়ন্ত্রণ করেন।

অভিযোগ রয়েছে, এই কাজের আড়ালে ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য খাতে মেডিকেল যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ক্ষেত্রেও একই কৌশলে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ আরও জানানো হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলে স্থাপিত সাউন্ড সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা মেরামতের উদ্যোগ নেয় গণপূর্ত অধিদফতর। এ সময় জাহিদুর রহিমের প্রতিষ্ঠান সিস্টেমটি পরীক্ষা করে মেরামতের সক্ষমতার কথা জানিয়ে প্রাক্কলন জমা দেয়। এছাড়া সিস্টেম পরীক্ষার জন্য প্রকৌশলীদের যাতায়াত, থাকা-খাওয়া ও সম্মানী বাবদ প্রায় ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকাও দাবি করা হয়েছিল। ওই সিস্টেম মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রায় ৪ কোটি টাকার প্রাক্কলন তৈরি করার অভিযোগ রয়েছে।