‘রাজনৈতিক কারণে কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না’
১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ২১:৩৪ | আপডেট: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ০০:১৫
ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, রাজনৈতিক কারণে কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না। যাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে তারা সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) দোহা সফর শেষে দেশে ফিরে সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নাগরিক পরিসর সংকুচিত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা বিশ্বের ছয়টি সংগঠন। রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান রাইটসের (আরএফকেএইচআর) ওয়েবসাইটে মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত বিবৃতি প্রকাশ করা হয়— বিষয়টি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নজরে আনা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা হয়রানি করছি না, নির্যাতন করছি না। যারা সন্ত্রাসী, যারা মানুষের বাড়ি-ঘর জ্বালায়, জনগণের সম্পত্তি; বিশেষ করে বাস, ট্রেন, ট্রাক জ্বালিয়ে দিচ্ছে, মানুষ মারছে তাদের আমরা শাস্তির আওতায় নিচ্ছি। আমরা রাজনৈতিক কারণে কাউকে হয়রানি করছি না। আমরা যাদের গ্রেফতার করছি তারা সন্ত্রাসী।’
বিবৃতিতে যাদের ব্যাপারে উদ্বেগ জানানো হচ্ছে, সেটা তো বিরোধীদলকে বোঝানো হচ্ছে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলছেন, তাদের আমি সন্ত্রাসী বলছি। এ বিষয়ে আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিষ্কার করে দিয়েছে। সন্ত্রাসের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পেয়েছে বলেই তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। রাজনৈতিক নেতাদের হয়রানি করা হচ্ছে না।’
ওই বিবৃতিতে মানবাধিকার ইস্যুতে উদ্বেগ জানানো হয়েছে— এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রতিবেদন দেখিনি। মানবাধিকারে বাংলাদেশ আদর্শ। আপনি অন্য দেশের সঙ্গে যদি তুলনা করেন, আমরা একটা আদর্শ দেশ। গাজায় কী ধরনের মানবাধিকার হচ্ছে? এমনকি অন্য উন্নত দেশেও লোকজন ক্লাবে-স্কুলে মেরে ফেলে। আমাদের এখানে বিনা বিচারে কাউকে হত্যা করা হচ্ছে না।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের কাছ থেকে অন্যদের মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের শিক্ষা নেওয়া উচিত।’
সারাবাংলা/জেআর/পিটিএম