‘দুদক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হলে স্বাধীনভাবে কাজ করার মাত্রা বাড়বে’
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২৩:৪৯
পাবনা: দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হলে স্বাধীনভাবে কাজ করার মাত্রা আরও বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ড. আবদুল মোমেন।
মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়রি) পাবনা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক গণশুনানিতে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এদিন দুপুরে পাবনা দুর্নীতি দমন কমিশনের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসন ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
গণশুনানি শেষে ড. আবদুল মোমেন বলেন, ‘আগের মতো নিপীড়ন, নির্যাতন, শোষণ ও নিষ্পেষণমূলক মামলা যেগুলো হয়েছে সেই ধারা যদি অব্যাহত রাখা হয় তাহলে আমাদের (দুদক) পরিণতিও একই হবে। এখন প্রশ্ন হলো আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারব কিনা। আমাদের সবধরনের স্বাধীনতারই তো একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমাদের যতটুকু স্বাধীনতা রয়েছে এর মধ্যে দিয়েই যতটা ভালোভাবো এবং যতটা নিরপেক্ষভাবে কাজ করা যায়।’
পাবনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মফিজুল ইসলামের সঞ্চালনায় ও সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গণশুনানিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনার (অনুসন্ধান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ, মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন, রাজশাহী বিভাগীয় দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক কামরুল আহসান, পাবনার পুলিশ সুপার মো. মোরতোজা আলী খাঁনসহ জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের নাগরিকরা।
উল্লেখ্য, এদিন অভিযোগকারীদের সরাসরি গণশুনানির কার্যক্রম চলে। গণশুনানিতে ১৫৭টি অভিযোগ জমা পড়লেও দুদক তফসিলভুক্ত ৫৭টি অভিযোগ আমলে নেয়। গণশুনানিতে বিভিন্ন সরকারি অফিসে সেবা প্রাপ্তিতে হয়রানির শিকার বা সেবা বঞ্চিত সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা অভিযোগ তুলেন ধরেন। তাৎক্ষণিকভাবে সেই অভিযোগ জবাব দেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানরা।
সারাবাংলা/পিটিএম