Sunday 29 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় ভুয়া যোগ্যতা দেখিয়ে চাকরি, পুতুলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২০ মার্চ ২০২৫ ১৮:১৬

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল – (ফাইল ছবি)

ঢাকা: মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় চাকরি এবং সূচনা ফাউন্ডেশনের নামে চাপ দিয়ে ২০টি ব্যাংক থেকে ৩৩ কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নামে পৃথক দু’টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় ভুয়া যোগ্যতা দেখিয়ে চাকরি নেওয়া ও সূচনা ফাউন্ডেশনের নামে মামলা দুটি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ( ২০ মার্চ) দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

প্রথম মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষকতা না করেও মিথ্যা ও ভুয়া অভিজ্ঞতা দেখিয়ে আবেদন করেন।

বিজ্ঞাপন

ওই আবেদনে পুতুল উল্লেখ করেন যে, তিনি ২০২২ সাল থেকে ২০২৩ সালে সিডি দাখিলের সময়কালে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অটিজম এবং মানসিক সমস্যা সংক্রান্ত কারিগরি বিশেষজ্ঞ হিসেবে শিক্ষকতা করেন। এতে তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগও পান। যা দন্ডবিধির ৪২০/৪৬৮/৪৭১ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

অপর মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শেখ হাসিনার কন্যা ও সূচনা ফাউন্ডেশনের সাবেক চেয়ারপার্সন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এক্সিম ব্যাংক এবং বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ব্যাংকস ও চেয়ারম্যানের সাবেক সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের সদস্যভুক্ত ব্যাংকসমূহের সিএসআর ফান্ড থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে সূচনা ফাউন্ডেশনের নামে ২০টি ব্যাংক হিসেবের মাধ্যমে ৩৩.০৫ কোটি টাকা প্রদানে বাধ্য করেন। যা ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এর ৫(২) ধারা ও দন্ডবিধির ১০৯ ধারায় শান্তিযোগ্য অপরাধ।

আদায় কৃত অর্থ কীভাবে কোন খাতে খরচ হয়েছে সূচনা ফাউন্ডেশনে তার কোনো রেকর্ডপত্র পায়নি দুদক। এর পরিপেক্ষিতে অপব্যয় এবং আত্মসাৎ দন্ডবিধি এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক।

সারাবাংলা/জিএস/আরএস
বিজ্ঞাপন

আরো