Friday 04 Apr 2025
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

নীলফামারীতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টহল অব্যাহত

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৩ এপ্রিল ২০২৫ ১৪:৩০

নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করছে সেনাবাহিনী।

নীলফামারী: নীলফামারীতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও ঈদের পরেও সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং পুলিশের যৌথ টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সড়কে যৌথবাহিনীর উপস্থিতি দেখা গেছে। গত ১ এপ্রিল, ঈদ-উল-ফিতরের ২য় দিনে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে সার্বক্ষণিক টহল পরিচালনার পাশাপাশি জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে। নীলফামারী শহরের বড় বাজার, চৌরঙ্গী মোড়, নীলফামারী বাস টার্মিনাল এবং সৈয়দপুরের শুটকির মোড় ও পাঁচমাথা মোড়ে এই চেকপোস্ট কার্যক্রম চালানো হয়।

বিজ্ঞাপন

সাধারণ জনগণের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং আইন-শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ড রোধ করাই এসব চেকপোস্ট স্থাপনের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। নীলফামারীতে সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট নাফি আবরার রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোমেনুল ইসলাম এবং সৈয়দপুরে ওয়ারেন্ট অফিসার মোস্তফা মজুমদারের নেতৃত্বে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এ সময় নীলফামারীর বড় বাজার মোড়ে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) প্রশান্ত রায় এবং সৈয়দপুর পয়েন্টে উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন উপস্থিত ছিলেন।

সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট নাফি আবরার রহমান বলেন, ‘ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে নীলফামারীতে সাধারণ জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ঈদের পরও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যৌথ বাহিনীর চেকপোস্ট পরিচালনার মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ জনগণের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং আইন-শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ড রোধ করা।’

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত নীলফামারী ও সৈয়দপুর উপজেলায় মোট ২৬২টি মামলায় ৮ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে নীলফামারীতে ১৫২টি মামলায় ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৬০০ টাকা এবং সৈয়দপুরে ১১০টি মামলায় ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

যৌথ বাহিনীর এই তল্লাশি কার্যক্রমে বিশেষভাবে মোটরসাইকেল আরোহীদের লাইসেন্স ও হেলমেট পরিধান নিশ্চিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মাইক্রোবাস ও অন্যান্য যানবাহনে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এছাড়াও, বাস, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধ সামগ্রী বহন ও আইন-শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নজরদারি করা হচ্ছে। এই কার্যক্রমের ফলে জেলা শহর ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটেছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

সারাবাংলা/এমপি

নিরাপত্তা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সেনাবাহিনী

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর